আমরা পৃথিবীকে ক্রমাগত দূষিত করছি। নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্য বাড়াতে আর জীবনকে সহজ করার দৌড়ে পৃথিবীকে বিষাক্ত করে ফেলছি।
ব্যাপক হারে করছি বৃক্ষ নিধন। এতে আমাদের বায়ুমণ্ডল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সমুদ্র, পাহাড় কিছুই বাদ যাচ্ছে না এই দূষণ থেকে। জলজ ও বন্য প্রাণিদের জীবনও আজ হুমকির মুখোমুখি। এর দায় শুধুই মানুষের।
বন ধ্বংস, অবৈধভাবে বন্যপ্রাণি শিকার, অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্পকারখানার দূষণ ইত্যাদি নানা কারণকে আমরা স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নিয়েছি যেন। কিন্তু এগুলো আমাদের পরিবেশকে ভয়াবহ করে তুলছে। দুষণের দিক থেকে চিন্তা করলে আমাদের বাংলাদেশের অবস্থা আরও শোচনীয়।
২০২১ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিশ্বের ছয় হাজার ৪৭৫টি শহরের বায়ুমানের তথ্য বিশ্লেষণ করে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২১ সালে একটি দেশও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রত্যাশিত বায়ুমান বজায় রাখতে পারেনি; আর দূষণের মাত্রার বিচারে সবার উপরে রয়েছে বাংলাদেশের নাম।
বায়ুদূষণ এবং বায়ু পরিশোধন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা সুইস সংস্থা আইকিউ এয়ারের এই প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, বাংলাদেশের বাতাসে ভাসমান বস্তুকণা ২.৫ এর গড় পরিমাণ ছিল ৭৬ দশমিক ৯ মাইক্রোগ্রাম, যা সমীক্ষার ১১৭টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এই হিসেবে গত বছর বিশ্বে বাংলাদেশের বাতাসই ছিল সবচেয়ে দূষিত।