ক্যাটাগরি

অধিনায়ক সাকিবকে সময় দিতে বললেন তামিম

সাকিবের প্রথম দফার নেতৃত্বের সময়টায় তামিম ছিলেন সহ-অধিনায়ক। দুজনকে তখন মনে করা হতো ‘মানিকজোড়।’ যদিও পরে দলের ব্যর্থতা ও কিছু বিতর্ক মিলিয়ে ২০১১ সালের অগাস্টে জিম্বাবুয়ে সফরের পর দুজনকেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় বিসিবি।

পরে মুশফিকুর রহিম নেতৃত্বে থাকার সময় সহ-অধিনায়ক করা হয় তামিমকে। সেসময় মুশফিকের চোটে একটি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতাও হয় তার। ২০১৮ সালে আবার তার অভিজ্ঞতা হয় সাকিবের নেতৃত্বে খেলার।

সাকিবের অধিনায়কত্ব তিনি দেখেছেন তাই কাছ থেকেই। নেতা সাকিবকে নিয়ে কোনো সংশয়ও তার নেই। তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় টেস্ট অধিনায়কের কাজটা অনেক কঠিন, সেটা তিনি জানেন। রোববার একটি অনুষ্ঠানে তাই তামিম বললেন, দলে পরিবর্তনের পর্যাপ্ত সময় যেন দেওয়া হয় সাকিবকে।

“আমি ওর অধিনায়কত্বে দুইবার খেলেছি, এর আগে যখন দুইবার অধিনায়ক হয়েছে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একবার, ২০১১ পর্যন্ত আর পরে আবার সবশেষ যখন হলো। এটা রকেট সাইন্স না…। আমরা সবাই জানি ওর ক্রিকেট মস্তিষ্ক দারুণ। তবে টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব করা সহজ নয়। এই একটা সংস্করণ, যেখানে ফল খুব বেশি আমাদের পক্ষে আসে না।”

“যেটা আমি সবসময় বলি, আমি যখন অধিনায়ক হয়েছি, বলেছিলাম যে আমাকে অনেক সময় দিতে হবে। একই কথা সাকিবের জন্যও বলব, ওকেও অনেক সময় দিতে হবে। অধৈর্য হলে হবে না। এই সংস্করণে আমরা খুব একটা শক্তিশালী নই। তবে ওর নেতৃত্বগুণ, পরিকল্পনা, আমাদের সবার সমর্থন ও সবকিছু নিয়ে, ২-৩ বছরের মধ্যে হয়তো আমরা আরও ভালো টেস্ট দল হয়ে উঠব।”

আগের দুই দফার মতো এবারও সাকিবের নেতৃত্বের অধ্যায় শুরু হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিয়ে। ২০১৮ সালে সবশেষ সফরে টেস্ট সিরিজে বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ জয়ের স্বাদ নিয়ে দেশে ফিরেছিল দল। এবার তামিমের চাওয়া সাদা পোশাকে আগের কালো অধ্যায়কে পেছনে ফেলা ও রঙিন পোশাকে একইরকম ঝলমলে থাকা।

“সবশেষ সিরিজ কিন্তু ভালো কেটেছে, তবে টেস্ট সিরিজ বাদে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ দুর্দান্ত ছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজে খেলা খুব সহজ নয়, বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে। তবে যে পারফরম্যান্স আমরা শেষবার করেছিলাম, বিশেষ করে টেস্টে, অবশ্যই এবার আরও ভালো করতে চাই। অন্যান্য সংস্করণে যা হয়েছিল, তা ধরে রাখতে চাই।”