এদিকে, প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায়
সোমবার সাত ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভোলার সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালী জানান, সোমবার পর্যন্ত
১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ায় জেলায় ২৩৬ জনকে ছাড়পত্র দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
এছাড়া নতুন ছয় জনসহ এখনও হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ১৮৯ জন।
হোম কোয়েরেন্টিনে থাকা প্রবাসীদের মধ্যে সদরে ৪৬ জন,
দৌলতখানে ২১ জন, বোরহানউদ্দিনে ২০ জন, লালমোহনে ১৭ জন, তজুমদ্দিনে ৪৪ জন ও মনপুরা উপজেলায়
১৬ জন রয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও জানান, হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে এমন প্রবাসীদের
মধ্যে সদরে ৭৬ জন, দৌলতখানে ২৮ জন, বোরহানউদ্দিনে ২৭ জন, লালমোহনে ২৭ জন, চরফ্যাশনে
৩৬ জন, তজুমদ্দিনে ২৭ জন ও মনপুরা উপজেলায় ১৬ জন আছেন।
জেলায় এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো
রয়েছে উল্লেখ করে সিভিল সার্জন বলেন, জেলার সকল হাসপাতালে পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বমোট ৪১১টি পিপিই পেয়েছে, ইতোমধ্যে এসকল পিপিই ব্যবহার করছেন
চিকিৎসক
ও নার্সরা।
এদিকে, দোকানপাট খোলা রাখায় দুপুরে শহরের মহাজনপট্টি
ও সদর রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিমরান মো. শায়েখের
ভ্রাম্যমাণ আদালত সাতজনকে জরিমানা করেছে।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার আকিব ওসমান জানান, জরুরি
ওষুধ, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাঁচা মালের দোকান ছাড়া অন্য সকল দোকান বন্ধ ঘোষণা
করেছে জেলা প্রশাসন।
“কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী এ নির্দেশ অমান্য করে দোকান খোলা
রাখায় তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”