৪০ বছর বয়সী এই ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইসের উপসর্গ থাকায় তার পরিবার
ও আশপাশের ২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মনির আহম্মেদ খান জানান, নড়িয়া উপজেলার মোকতারেরচর ইউনিয়নের বেপারী কান্দি গ্রামের এই ব্যক্তি ডেজারের শ্রমিক ছিল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে
নেওয়ার কিছুক্ষণ পর মারা যান।
এই ব্যক্তি যক্ষ্মার রোগী ছিলেন বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন আব্দুল্লাহ আল মুরাদ।
তিনি বলেন, এর আগে গত ১৯ মার্চ এই ব্যক্তি শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ২৩ মার্চ পযর্ন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন। তখন তার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার যক্ষ্মা ধরা পড়ে। চিকিৎসকেরর পরামর্শে তিনি বাড়িতে নিয়মিত ওষুধ সেবন করছিলেন।
“তার পরও
তার করোনাভাইরাসে
আক্রান্ত হওয়ার
উপসর্গ
থাকায়
নমুনা
সংগ্রহ
করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে।”
এর আগে ওই ব্যক্তিকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা
হয়েছিল।
নড়িয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাজিব হাওলাদার বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে পরিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসায় উন্নতি না হওয়ায় বিকেলে তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তারপর সন্ধ্যায় তাকে সেখানে আইসোলেশনে নেওয়া হয়। আর রাত সাড়ে ৯টায় তিনি মারা যান। তিনি কখনও প্রবাসে ছিলেন না।
বর্তমানে নভেল করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক থাকায় আশপাশের পাঁচ পরিবারের ২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন
নড়িয়া থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, পরীক্ষায় করোনাভাইরাস ধরা না পড়লে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হবে। পরীক্ষা
প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত তাদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে।
লাশ পাচঁগাঁও চণ্ডীপুর সরকারি করবস্থানে বুধবার দাফন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।