সোমবার একই সাথে ওই বাড়ি লকড ডাউন এবং শহরের পুরাতন বাজার এলাকার ওই মহল্লার অন্য বাড়িগুলোর সদস্যদের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন।
মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. প্রদীপ কুমার সাহা ব্যাংকারসহ তিনজনের আইসোলেশনে রাখার কথা জানান।
সদর থানার ওসি জয়নাল আবেদীন জানান, আইসোলেশনে পাঠানো ব্যাংকারের বাড়ি লকড ডাউন এবং মহল্লার অন্য বাড়িগুলোর সদস্যদের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম জানান, নোয়াখালীর চৌমুহীতে কর্মরত ওই ব্যাংকার গত ২৬ তারিখে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মাগুরা শহরের পুরাতন বাজারের ওই ভাড়া বাসায় ওঠেন। এ কয়েকদিন তিনি তার পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে গোপনে বসবাস করে আসছিলেন।
তিনি জানান, সোমবার বিকেলে তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে-সাথে তিনি বমি করতে থাকেন। খবর পেয়ে তিনিসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা গিয়ে তাকে পর্যবেক্ষণ করে তার শরীরের করোনাভাইরাসের উপসর্গ আছে বলে প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করেন।
সন্ধ্যায় ওই ব্যাংকারসহ জ্বরে আক্রান্ত তার পরিবারের অন্য দুই সদস্যকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থাপিত আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে।
এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুয়িয়ান ও সদর থানার ওসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
প্রশানের পক্ষ থেকে ওই বাড়ি লকডাউন ও মহল্লার অন্য বাসা বাড়ির সদস্যদের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।