শুক্রবার বন্দরনগরীর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের ফইল্যাতলী বাজার সংলগ্ন মহেশখাল পরিষ্কার অভিযান পরিচালনাকালে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
সুজন বলেন, “যারা খাল-নালা-নর্দমাকে ডাস্টবিন বানিয়ে ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত করছে, তাদেরকেই নিজ দায়িত্বে এগুলো পরিষ্কার করতে হবে।
“আবর্জনা ফেলে পানি চলাচলের পথ বন্ধ করা অপরাধ। অভিযুক্তকে জেল জরিমানার দণ্ড ভোগ করতে হবে। মহেশখাল দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পানি চলাচল করে। এই খালটি বার বার পরিষ্কার করার পরও এলাকাবাসীর হুঁশ হয় না। তারা প্রকাশ্যে খালে আবর্জনা ফেলে। তাই এই জায়গাগুলো মশার প্রজনন কেন্দ্র ও রোগ-বালাইয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।”
এলাকাবাসীর উদ্দেশে সুজন বলেন, “নিজেদের বাসা-বাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনের রাস্তা ও নালা-নর্দমা নিজেরাই পরিষ্কার রাখবেন। এটা সামাজিক কর্তব্য। কেউ কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে যথেষ্ট খরচা-পাতি করেন। তাদের উচিত সমাজের ভালোর জন্য কাজ করা, জনকল্যাণমমুখী সেবা প্রদান করা।
“সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা-নালা-নর্দমা করছে। অথচ এগুলো দখল হয়ে যাচ্ছে। এতে জনদুর্ভোগ বাড়ছে। সমাজের প্রতি উদাসীনতা একটি আত্মঘাতী মানসিকতা। মনে রাখতে হবে, স্বার্থপরতা মানবিকতার পরিপন্থি। এই মানসিকতা পরিহার করে সর্বজনীন ও মানবিক হতে হবে।”
অন্যদের মধ্যে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী, পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব শর্মা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল, ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি খোন্দকার আব্দুল হক বাবুল, পাহাড়তলী ওয়ার্ডের ওয়াহিদুল আমিন, আরিফুল আমিন ও ডা. অর্জুন কুমার দাশ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।