ক্যাটাগরি

করোনাভাইরাস: এক দিনে আরও ২৫ মৃত্যু, শনাক্ত ১৩১৮

শুক্রবার
বিকালে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য
জানানো হয়।

সেখানে
বলা হয়, সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত ১ হাজার ৩১৮
জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৯৮
হাজার ২৯৩ জন হয়েছে।

আর
গত এক দিনে মারা
যাওয়া ২৫ জনকে নিয়ে
দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ৭ হাজার ২১৭
জনে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
আরও ২ হাজার ২৪
জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে।
তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ
রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৩৩
হাজার ৬১৪ জন হয়েছে।

বাংলাদেশে
করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ,
তা সাড়ে ৪ লাখ পেরিয়ে
যায় ২৪ নভেম্বর। এর
মধ্যে গত ২ জুলাই
৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত
হয়, যা এক দিনের
সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম
রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর
১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ১২ ডিসেম্বর তা
সাড়ে সাত হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০
জুন এক দিনেই ৬৪
জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের
সর্বোচ্চ মৃত্যু।

জনস
হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ২৬তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায়
রয়েছে ৩৩তম অবস্থানে।

বিশ্বে
এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ৭ কোটি ৫০
লাখ পেরিয়েছে; মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ১৬ লাখ ৬৩
হাজার।

স্বাস্থ্য
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায়
সারা দেশে ১১২টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ১৮টি জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ২৯টি র্যাপিড
অ্যান্টিজেন ল্যাবে অর্থাৎ সর্বমোট ১৫৯টি ল্যাবে ১৪ হাজার ৩৩৬টি
নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা
হয়েছে ৩০ লাখ ৫০
হাজার ৬৪টি নমুনা।

২৪
ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক ১৯
শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট
শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৪
শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ০২
শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৫
শতাংশ।

সরকারি
ব্যবস্থাপনায় এ পর‌্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৪টি। আর
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ৬ লাখ ১৭ হাজার ৩৭০টি।

 

গত এক দিনে
যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ আর নারী ৯ জন। তাদের মধ্যে ২৪ জন
হাসপাতালে ও ১ জন বাড়িতে মারা গেছেন।

তাদের মধ্যে
১২ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ৯ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং ৪ জনের বয়স
৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল।

মৃতদের মধ্যে
১৮ জন ঢাকা বিভাগের, ১ জন করে মোট ২ জন চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের, ৩ জন রাজশাহী
এবং ২ জন সিলেট বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

দেশে এ
পর্যন্ত মারা যাওয়া ৭ হাজার ২১৭ জনের মধ্যে ৫ হাজার ৫০৫ জনই পুরুষ এবং ১ হাজার ৭১২
জন নারী।

তাদের মধ্যে
৩ হাজার ৯১১ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়াও ১ হাজার ৮৪৭ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০
বছরের মধ্যে, ৮৫০ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৩৬৪ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের
মধ্যে, ১৫৭ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৫৫ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে
এবং ৩৩ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম।

এর মধ্যে ৩
হাজার ৯৪৪ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৩৩৯ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪২৫ জন রাজশাহী
বিভাগের, ৫১৪ জন খুলনা বিভাগের, ২৩১ জন বরিশাল বিভাগের, ২৮৩ জন সিলেট বিভাগের, ৩২৫
জন রংপুর বিভাগের এবং ১৫৬ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।