বৃহষ্পতিবার জেলার জ্যেষ্ঠ
বিচারিক হাকিম মো. কামরুজ্জামানের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি
রেকর্ড করা হয়।
শৈলকুপা থানার ওসি জাহাঙ্গীন
আলম বলেন, উপজেলার চররূপদা গ্রামের রিপন বিশ্বাস গত ৯ ডিসেম্বর রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
এই ব্যাপারে তার স্ত্রী সোগাগী বেগম পরদিন শৈলকুপা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
বুধবার পুলিশ তার পচা গলা লাশ উদ্ধার করে।
ওসি বলেন, বুধবার বিকালে
পুলিশ রিপনের ভাবি ফরিদা বেগমকে আটক করে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের কাছে তিনি
স্বীকার করেন ৯ ডিসেম্বর রাতে সম্পত্তির জন্য তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে রিপনকে হত্যা
করেছেন।
ফরিদা বলেন, বাড়িতেই রিপনকে
হত্যা করা হয়েছে। তিনি রিপনকে পা চেযে ধরেন; আর তার স্বামী রান্নু গলা টিপে হত্যা করেন।
হত্যার পর ভিকটিমের পেটে কোপ দেওয়া হয়। পরে ভোর রাতে লাশ বাড়ির পাশের একটি ডোবায় পুঁতে
রাখা হয়।
ওসি বলেন, “আজ বিকালে ফরিদা
আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েন। ফরিদার স্বামী রান্নু বিশ্বাস ১২ ডিসেম্বর
থেকে পলাতক রয়েছেন।