প্রতিপক্ষের মাঠে বৃহস্পতিবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ৩-২
গোলে জিতেছে ইউনাইটেড। ডেভিড ম্যাকগোল্ডরিকের গোলে স্বাগতিকরা এগিয়ে যাওয়ার পর
সমতা টানেন র্যাশফোর্ড। মার্সিয়াল সফরকারীদের এগিয়ে নেওয়ার পর আবার জালের দেখা
পান র্যাশফোর্ড। শেষ দিকে ব্যবধান কমান ম্যাকগোল্ডরিক।
গত রাউন্ডে ঘরের মাঠে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে
গোলশূন্য ড্র করেছিল প্রতিযোগিতার সফলতম দল ইউনাইটেড।
দাভিদ দে হেয়ার জায়গায় গোলপোস্টের নিচে ফেরা ডিন হেন্ডারসন
পঞ্চম মিনিটেই করে বসেন ওই ভুল। হ্যারি ম্যাগুইয়ারের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে
আরেক সতীর্থকে দিতে চেয়ে অনেকটা দেরি করে ফেলেন এই ইংলিশ গোলরক্ষক। ছুটে গিয়ে তার
থেকে বল কেড়ে নিয়ে শুয়ে পড়ে সতীর্থের দিকে বাড়ান অলিভার বার্ক। ছয় গজ বক্সের সামনে
থেকে ফাঁকা জালে বল পাঠান আইরিশ ফরোয়ার্ড ম্যাকগোল্ডরিক।
২৬তম মিনিটে চমৎকার এক গোলে সমতা টানেন র্যাশফোর্ড। নিজেদের অর্ধ
থেকে উঁচু করে বল বাড়ান ভিক্তর লিনদেলোভ। দারুণভাবে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে
ঢুকে জোরালো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তরুণ ইংলিশ ফরোয়ার্ড।
৩৩তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন মার্সিয়াল। পল পগবার ক্রস খুঁজে পায় এই
ফরাসি ফরোয়ার্ডকে। এগিয়ে এসে তার প্রথম প্রচেষ্টা রুখে দিলেও বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে
পারেননি শেফিল্ড গোলরক্ষক। এবার সহজেই জালে পাঠান মার্সিয়াল।
পরের মিনিটেই বাড়তে পারতো ব্যবধান। র্যাশফোর্ডের নিচু শট পা দিয়ে
ফেরান গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল পেয়ে যান তিনি।
মার্শিয়ালের বাড়ানো বলে ছুটে গিয়ে জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন র্যাশফোর্ড।
বল দখলে রেখে বাকি সময়েও একের পর এক আক্রমণ করে যায় সফরকারীরা।
কিন্তু প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় আর গোলের দেখা মেলেনি।
নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট বাকি থাকতে হেডে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচ
জমিয়ে তোলেন ম্যাকগোল্ডরিক। যোগ করা সময়ে সমতাও প্রায় ফিরিয়েছিল তারা। দারুণ এক
সেভে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেন হেন্ডারসন।
১২ ম্যাচে সাত জয় ও দুই ড্রয়ে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠেছে
ইউনাইটেড। ১৩ ম্যাচের ১২টিতে হারা শেফিল্ড ১ পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে আছে।
১৩ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল।