নিজেদের মাঠ গুডিসন পার্কে শনিবার ২-১ গোলে জিতেছে কার্লো
আনচেলত্তির দল। আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়া আর্সেনালকে সমতায় ফেরান নিকোলাস পেপে। স্বাগতিকদের
জয়সূচক গোলটি করেন ইয়েরি মিনা।
লিগে শেষ সাত ম্যাচে এটি আর্সেনালের পঞ্চম হার; অন্য দুটি ড্র। গত রাউন্ডে সাউথ্যাম্পটনের সঙ্গে
১-১ ড্র করেছিল তারা।
সব মিলিয়ে আসরে ১৪ ম্যাচে এটি দলটির অষ্টম হার। মৌসুমে এখন পর্যন্ত
তাদের চেয়ে বেশি হেরেছে কেবল শেফিল্ড ইউনাইটেড;
১৩ ম্যাচে ১২ হার।
চোটের কারণে ফরোয়ার্ড পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াংকে এই ম্যাচে পায়নি
আর্সেনাল। অধিনায়কের অভাব ম্যাচজুড়ে প্রবলভাবেই অনুভব করেছে তারা।
২২তম মিনিটে রব হোল্ডিংয়ের আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে আর্সেনাল।
অ্যালেক্স আইওবির ক্রসে ডি-বক্সে ডমিনিক ক্যালভার্ট-লুইনের হেড আর্সেনাল
ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়ায়।
চলতি আসরে দলটির জালে এটি তৃতীয় আত্মঘাতী গোল।
প্রথমার্ধে সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না মিকেল আর্তেতার দল।
৩৫তম মিনিটে স্পট কিকে সমতা টানেন পেপে। প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে এইন্সলে
মেইটল্যান্ড-নাইলস ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।
৪৪তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ক্যালভার্ট-লুইনের জোরালো শট এক
হাতে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান গোলরক্ষক বার্নড লেনো। সেই কর্নারেই কাছ থেকে হেডে
আবার এভারটনকে এগিয়ে নেন মিনা। লেনো ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন, বল তার হাত ছুঁয়ে জালে জড়ায়।
৫৫তম মিনিটে ভাগ্যের ফেরে গোল পায়নি আর্সেনাল। উইলিয়ানের ক্রস
পাঞ্চ করে ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেননি গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। বল পেয়ে দাভিদ
লুইসের নেওয়া শট ফেরে পোস্টে লেগে। বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা করেও ম্যাচে ফেরা হয়নি
তাদের।
১৪ ম্যাচে আট জয় ও দুই ড্রয়ে এভারটনের পয়েন্ট হলো ২৬। ১৪ পয়েন্ট
নিয়ে ১৫তম স্থানে আছে আর্সেনাল।
সাউথ্যাম্পটনকে ১-০ গোলে হারানো ম্যানচেস্টার সিটি ১৩ ম্যাচে ২৩
পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছে।
ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে ৭-০ গোলে জেতা লিভারপুল ১৪ ম্যাচে ৩১
পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে। এক ম্যাচ কম খেলে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে টটেনহ্যাম
হটস্পার।