ক্যাটাগরি

মুক্তিযুদ্ধে আমার বাবা ছিলেন ফাইটার পাইলট: দোরাইস্বামী

মঙ্গলবার
চট্টগ্রামের
সীতাকুণ্ড
উপজেলায়
মুক্তিযুদ্ধের
স্মৃতিস্তম্ভ
‘মৃত্যুঞ্জয়ী
মিত্র’র উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে
তিনি

কথা
বলেন। 

একাত্তরের
মুক্তিযুদ্ধে
বাংলাদেশের
মুক্তিবাহিনী

ভারতের
মিত্রবাহিনীর
যৌথ
বীরত্বগাথার
স্মৃতি
সংরক্ষণে
সীতাকুণ্ড
উপজেলার
চন্দ্রনাথ
পাহাড়ের
পাদদেশে
চট্টগ্রাম
জেলা
পরিষদ

স্মৃতিস্তম্ভ
তৈরি
করেছে।

দোরাইস্বামী
বলেন,
বাংলাদেশের
সঙ্গে
ভারতের
বন্ধুত্ব
শুধু
ইতিহাস-সংস্কৃতি

ভৌগলিক
কারণে
নয়।

সম্পর্কের
ভিত
তৈরি
হয়েছে
‘রক্ত

উৎসর্গের’
মধ্য
দিয়ে।

“প্রাণ বিসর্জন

রক্তের

সম্পর্ক
আমরা
কখনও
ভুলে
যেতে
পারি
না।
প্রাণ
বিসজর্নের
মাধ্যমে
তৈরি

সম্পর্ক
কোনোদিনও
ভাঙবে
না।
পদ্মা-যমুনা
যতদিন
বহমান
থাকবে,
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কও
ততদিন
থাকবে।’’

ভারতীয়
হাই
কমিশনার
বলেন,
“আমি
গর্ব
বোধ
করছি।
মহান
মুক্তিযুদ্ধে
মুক্তিযোদ্ধা

ভারতীয়
সেনারা
একসাথে
প্রাণ
বিসর্জন
দিয়েছেন।

স্মৃতিস্তম্ভ
বাংলাদেশের
বীর
মুক্তিযোদ্ধা

ভারতীয়
যোদ্ধাদের
প্রতি
সম্মান

আবেগের
প্রতীক।

স্মৃতিস্তম্ভে
শুধু
বাংলাদেশের
বীর
যোদ্ধাদের
নয়,
ভারতীয়
সেনাদেরও
সম্মানিত
করা
হয়েছে।

“আমার বাবা ছিলেন
১৯৭১
সালের
লিবারেশন
ওয়ারের
একজন
ফাইটার
পাইলট।
সে
কারণে
আজ
আমি
ব্যক্তিগতভাবে
গর্ব
বোধ
করছি।”

বিক্রম
দোরাইস্বামীর
বাবা
চন্দ্র
শেখর
দোরাইস্বামী
১৯৭১
সালে
ভারতীয়
বিমানবাহিনীর
একজন
স্কোয়াড্রন
লিডার
হিসেবে
ওয়েস্টার্ন
ফ্রান্টে
যুদ্ধে
অংশ
নেন।
১৯৯৩
সালে
এয়ার
ভাইস
মার্শল
হিসেবে
তিনি
অবসরে
যান।  

জাতির
জনক
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
প্রতি
শ্রদ্ধা
জানিয়ে
ভারতীয়
হাই
কমিশনার
বলেন,
“বাংলাদেশের
চেতনার
অপর
নাম
বঙ্গবন্ধু।
এটিই
বাংলাদেশের
সারমর্ম
এবং
একে
অবশ্যই
ধরে
রাখতে
হবে।
এটি
ধরে
রাখা
বাংলাদেশের
মানুষের
দায়িত্ব।”

আওয়ামী
লীগের
সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্য
সাবেক
মন্ত্রী
ইঞ্জিনিয়ার
মোশাররফ
হোসেন

অনুষ্ঠানে
মুক্তিযুদ্ধের
সেইসব
দিনের
কথা
স্মরণ
করেন।
তিনি
ছিলেন
মুক্তিযুদ্ধের

নম্বর
সেক্টরের
সাব
কমান্ডার।

মোশাররফ
বলেন,
“এ
স্মৃতিস্তম্ভ
করার
কথা
মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের।
আমি
মন্ত্রণালয়ের
গত
মিটিংয়েও
বলেছি,
আমাদের
১১টা
সেক্টর
ছিল,
১১
জন
কমান্ডার
ছিল।

নম্বর
সেক্টরের
কমান্ডার
ছিলেন
মেজর
রফিক
সাহেব।
আমি
ছিলাম
সাব
সেক্টর
কমান্ডার।
আমি
জানি,
এখানে
মুক্তিযুদ্ধের
সময়
কোথায়
কী
হয়েছিল।

“আমি বলেছি,
এগুলোর
স্মৃতি
রক্ষা
করার
উদ্যোগ
নিতে।
গণকবরগুলো
রক্ষা
করার
জন্য
আপনারা
উদ্যোগ
নেন।
এখনও
আমরা
জীবিত
আছি,
যেসব
স্থানে
আমরা
যুদ্ধ
করেছি,
আমরা
সেগুলো
চিহ্নিত
করব।”

মুক্তিযুদ্ধে
ভারতের
সহযোগিতার
কথা
তুলে
ধরে
এই
আওয়ামী
লীগ
নেতা
বলেন,
“মহান
মুক্তিযুদ্ধে
বাংলাদেশের
মানুষ
ঝাঁপিয়ে
পড়েছিল।
অকাতরে
প্রাণ
বিসর্জন
দিয়েছিল।
কিন্তু
শুধু
গেরিলা
যুদ্ধ
করে
একটি
দেশ
স্বাধীন
করা
যায়
না।

“৩ ডিসেম্বর
মুক্তিযোদ্ধা

ভারতীয়
মিত্রবাহিনী
যৌথভাবে
যুদ্ধ
শুরু
করার
মাত্র
১৩
দিনের
মাথায়
বিশ্বের
অন্যতম
সেনাবাহিনীকে
পরাজিত
করে
দেশ
স্বাধীন
করতে
স্বক্ষম
হয়েছিলাম।
পৃথিবীর
ইতিহাসে
এত
কম
সময়ে
স্বাধীনতা
পাবার
নজির
আর
নেই।
এটা
সম্ভব
হয়েছিল
একমাত্র
ভারতীয়
বাহিনীর
সহযোগিতার
কারণে।’’

অনুষ্ঠানে
সভাপতির
বক্তব্যে
চট্টগ্রাম
জেলা
পরিষদের
চেয়ারম্যান
এম

সালাম
বলেন,
সীতাকুণ্ডে
যে
বাংলাদেশের
মুক্তিযোদ্ধা

ভারতীয়
মিত্র
বাহিনীর
একটি
গৌরবোজ্জ্বল
ইতিহাস
আছে,
সেটা
অনেকেই
জানতেন
না।
মুক্তিযোদ্ধাদের
কাছ
থেকে
জানার
পর
তথ্য
সংগ্রহ
করে

স্মৃতিস্তম্ভ
নির্মাণের
উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছিল।

“নতুন প্রজন্ম
এটা
দেখবে
এবং
তাদের
মধ্যে
দেশপ্রেম
জাগ্রত
হবে।
তারা
বুঝতে
পারবে,
আমাদের
পূর্ব
পুরুষরা
দেশের
জন্য
কত
ত্যাগ
স্বীকার
করেছে।”

অনুষ্ঠানে
স্বাগত
বক্তব্য
দেন
সীতাকুণ্ডের
সাংসদ
দিদারুল
আলম
এবং
চট্টগ্রাম
জেলা
পরিষদের
প্রধান
নির্বাহী
কর্মকর্তা
শাব্বির
ইকবাল।

মুক্তিযোদ্ধা
সংসদের
চট্টগ্রাম
জেলার
কমান্ডার
শাহাবউদ্দিন,
মহানগরের
কমান্ডার
মোজাফ্ফর
আহমেদ,
ভারতের
সহকারী
হাই
কমিশনার
অনিন্দ্য
ব্যানার্জী,
সেকেন্ড
সেক্রেটারি
শুভাশিষ
সিনহা
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত
ছিলেন।

আলোচনা
অনুষ্ঠোনের
আগে
ভারতীয়
হাই
কমিশনার
বিক্রম
দোরাইস্বামী,
ইঞ্জিনিয়ার
মোশাররফ
হোসেন

জেলা
পরিষদ
চেয়ারম্যান
এম

সালাম
স্মৃতিস্তম্ভে
ফুল
দিয়ে
শ্রদ্ধা
জানান।

মাইজভাণ্ডার
দরবারে
দোরাইস্বামী

ভারতের
ত্রিপুরা
রাজ্যের
সীমান্তবর্তী
ফটিকছড়ি
উপজেলার
মাইজভাণ্ডার
দরবার
শরীফ
পরিদর্শন
করেছেন
ভারতীয়
হাই
কমিশনার
বিক্রম
কুমার
দোরাইস্বামী।

সোমবার
সন্ধ্যায়
সেখানে
গিয়ে
ধর্মীয়
নেতৃবৃন্দ,
সুশীল
সমাজ

সাংবাদিকদের
সঙ্গে
এক
মতবিনিময়
সভায়
তিনি
বলেন,
“ঐতিহাসিক
জনযুদ্ধের
মাধ্যমে
নিজেদের
স্বতন্ত্র
পরিচয়ের
ভিত্তিতে
একটি
জাতিকে
রূপদানকারী
হিসেবে
বাংলাদেশের
মানুষের
চেতনার
প্রতি
আমরা
গভীরভাবে
প্রশংসা

সম্মান
জানাই।

“আপনারা অসংখ্য
মৃত্যু

মা-বোনদের
প্রতি
বর্বর
নির্যাতন
উপেক্ষা
করে
অনন্য
সাহস
এবং
বীরত্বের
সাথে
নিজেদের
উপর
হওয়া
অত্যাচার

কঠোরতার
মুখোমুখি
হয়েছিলেন।
আপনাদের
মুক্তিযুদ্ধ
বিশ্বের
জন্য
অনন্য
অনুপ্রেরণা।”

দোরাইস্বামী
বলেন,
ফটিকছড়ি
উপজেলার
সীমান্তবর্তী
সাবরুম-রামগড়
স্থলবন্দরের
নির্মাণ
কাজ
প্রায়
শেষ
পর্যায়ে
এবং

আন্তঃদেশীয়
সংযোগ
দুই
দেশের
বন্ধনকে
আরো
দৃঢ়
করবে।
বিশেষ
করে
ত্রিপুরা,
আসামসহ
ভারতের
পূর্বাঞ্চলীয়
রাজ্যগুলোর
সঙ্গে
বাংলাদেশের
বাণিজ্যিক
সুবিধার
ক্ষেত্র
তৈরি
হবে।

সাংবাদিকদের
এক
প্রশ্নে
ভারতীয়
হাই
কমিশনার
বলেন,
স্থলবন্দর
পয়েন্ট
থেকে
সোনাইপুল,
কালাপানিয়া,
সেমুতং,
বাটনাতলী,
গাড়ীটানা
হয়ে
ফটিকছড়ির
ওপর
দিয়ে
চট্টগ্রাম
বন্দরকে
সংযোগে
বিকল্প
সড়ক
নির্মাণ
করার
সম্ভাব্যতা
যাচাই
করা
হবে।


অনুষ্ঠানে
বাংলাদেশ
তরিকত
ফেডারেশনের
চেয়ারম্যান

ফটিকছড়ির
সাংসদ
সৈয়দ
নজিবুল
বশর
মাইজভাণ্ডারীর
হাতে
ভারতে
রক্ষিত
কোরআন
শরীফের
একটি
প্রাচীন
কপি
তুলে
দেন
হাইকমিশনার।

নজিবুল
বশর
মাইজভান্ডারী
বিডিনিউজ
টোয়েন্টিফোর
ডটকমকে
বলেন,
“ইসলাম
প্রচারের
শুরুতে
সুফী
দরবেশরা
কোরআন
শরিফের
যে
প্রাচীন
দুটি
কপি
ভারতে
এনেছিলেন,
তার
মধ্যে
এটি
একটি।
মাইজভাণ্ডার
শরীফে
এটি
উপহার
দেওয়ায়
উনাকে
ধন্যবাদ।”

মতবিনিময়
সভায়
সৈয়দ
নজিবুল
বশর
বলেন,
“জঙ্গিবাদ

মৌলবাদ
নির্মূলে
ভারতকে
পাশে
চায়
বাংলাদেশ।
বর্তমানে
সরকার
প্রধান
শেখ
হাসিনার
সাথে
ভারতের
প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র
মোদীর
সম্পর্ক
অত্যন্ত
চমৎকার।

“এ সম্পর্ক
কূটনৈতিক
পরিমণ্ডল
ছাড়িয়ে
বাণিজ্য,
শিক্ষা,
সংস্কৃতিসহ
বিভিন্ন
ক্ষেত্রে
সম্প্রসারিত
হয়েছে।
আমাদের
বন্ধুত্ব
কৌশলগত
অংশীদারিত্বের
অনেক
ঊর্ধ্বে;
কারণ

বন্ধুত্ব
রচিত
হয়েছে
অভিন্ন
ত্যাগ,
ইতিহাস,
সংস্কৃতি

আত্মীয়তার
অনন্য
সম্পর্কের
উপর
ভিত্তি
করে।”

তরিকত
ফেডারেশনের
যুগ্ম
মহাসচিব
সৈয়দ
তৈয়বুল
বশর
মাইজভাণ্ডারীর
সভাপতিত্বে
অন্যদের
মধ্যে
চট্টগ্রামে
ভারতের
সহকারী
হাই
কমিশনার
অনিন্দ্য
ব্যনার্জি,
ফটিকছড়ি
উপজেলা
চেয়ারম্যান
হোসাইন
মো.
আবু
তৈয়ব,
উপজেলা
নির্বাহী
অফিসার
মো.
সায়েদুল
আরেফিন
এবং
হাটহাজারী
সার্কেলের
অতিরিক্ত
পুলিশ
সুপার
আবদুল্লাহ
আল
মাসুম
সভায়
বক্তব্য
দেন।