ক্যাটাগরি

নূর চৌধুরী ও ‘বেগমপাড়ায়’ অর্থপাচারকারীদের শায়েস্তায় তৎপর বাংলাদেশ

কানাডায় থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগে চাপ প্রয়োগ শুরু করেছে বাংলাদেশ। বছরের পর বছর ধরে ব্যর্থ আলোচনার পর নূর চৌধুরীকে ফেরাতে বাংলাদেশ এবার বিশ্বব্যাপী ‘স্বাক্ষর ক্যাম্পেইনের’ শুরু করেছে।

মুক্তিযুদ্ধের চার বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করে একদল সেনা সদস্য। এর মধ্যে জড়িত ছিলেন লে. কর্নেল (বরখাস্ত) এন এইচএমবি নূর চৌধুরী।

শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ১২ জনের মধ্যে ২০১০ সালে ৫ জনের ফাঁসি হয়েছে। অন্য ৬ জনের মধ্যে একজন মারা গেছে এবং বাকী ৬ জন পলাতক। এর মধ্যে ১৯৯৬ সালে কানাডা যাওয়ার পর শরণার্থী হিসেবে আশ্রয়ের আবেদন করেন নূর চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী। তখন থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন।

গত সপ্তাহে ঢাকায় অবস্থানরত হাইকোর্ট নুর চৌধুরী এবং অন্যান্য দোষীদের দেওয়া ‘মুক্তিযোদ্ধা পুরষ্কার’ বাতিল করেছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন কানাডা নূর চৌধুরীকে ফেরাতে থেকে দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশিদের ‘স্বাক্ষর ক্যাম্পেইনে’ সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন।

এছাড়া আব্দুল মোমেন কানাডায় থাকা নুর চৌধুরীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করার আহ্বান জানান।

এছাড়া কানাডায় বেগমপাড়ায় অবস্তানরত বাংলাদেশি পলাতক ও অর্থপাচারকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে কাজ করছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ হাই কোর্ট সরকারকে দ্বৈত পাসপোর্টধারী এবং বিদেশে অবস্থানরত সন্দেহজনক অর্থ পাচারকারীদের তালিকা তৈরি করতে বলেছে।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল মোমেন কানাডায় বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে অর্থপাচারকারী রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কানাডায় বেগমপাড়ায় বেশিরভাগ অর্থপাচারকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই সরকারি কর্মকর্তা।

এসব অর্থপাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা যায়।

ইত্তেফাক/এসআর