ফ্লাইট পুনরায় চালু
হলে স্থগিত ফ্লাইটের যাত্রীরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ
নতুন করে বাড়তে থাকায় বিমান চলাচলে আবারও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব,
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ।
বুধবার প্রবাসী কল্যাণ
ভবনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষ্যে অংশীজনদের সাথে আলোচনার আয়োজন করে বাংলাদেশ
ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড, বোয়েসেল।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী
সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, “করোনাভাইরাসের নতুন
প্রাদুর্ভাবের কারণে সারা বিশ্বে আবারও ফ্লাইট বন্ধ হওয়া শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে
উদ্বেগের কিছু নেই, সারা পৃথিবী যেভাবে চলবে আমরাও সেভাবে চলব।
“যাদের বিদেশ যেতে
হবে তারা দ্রুত চলে যান। আর যারা ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে আটকা পড়ে গেছেন তাদের
দুশ্চিন্তার কিছু নেই। পরবর্তীতে এসব টিকেট রিইস্যুর ব্যবস্থা অবশ্যই করা হবে।”
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন
দেশ থেকে অদক্ষ বাংলাদেশি শ্রমিক ফেরত এলে সেখানে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ রয়েছে
জানিয়ে মন্ত্রী ইমরান বলেন, এসব জায়গায় ৫০ ভাগ দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারলে রেমিট্যান্স
প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না, আগের মতই থাকবে।
বিদেশে কর্মরত নারীদের
নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, “নিরাপত্তার বিষয়ে তাদের নিজেদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি।
নিজের সম্মান নিজের হতে থাকে, দেখা যাচ্ছে একটু শিক্ষার অভাবে খুব সহজেই নারীদের সঙ্গে
প্রতারণা করতে পারে সবাই। এজন্য আমরা বলি কমপক্ষে এইচএসসি পাশ করতে পারলে সেই নারী
নিজের লুক আফটার নিজে করতে পারবে, অন্য কেউ তাকে বোকা বানাতে পারবে না।”
তিনি বলেন, “সরকার
পলিসি ঠিক করে কিন্তু এখানে সবার পরামর্শ যুক্ত থাকতে হবে। তাই সবার কাছে আন্তরিক পরামর্শ
আশা করি, বিশেষ করে এগুলো লিখিত আকারে হলে আরও ভালো হয়। আপনারা পরামর্শ নিয়ে সংশ্লিষ্ট
মন্ত্রণালয় ও দপ্তর এর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখুন।”
বেসরকারি
রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি বায়রার সভাপতি বেনজির আহমেদ বলেন, “প্রবাসে লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে
অনেক সময় অনেক অভিযোগ আসে। এসব অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা নয়, অধিকাংশই সত্য। এসব বিষয়ে
গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের
বোয়েসেলকে আরও শক্তিশালী হতে হবে। বায়রা ও বোয়েসেল একসাথে কাজ করলে ভালো কাজের প্রতিযোগিতা
হবে।”
প্রবাসী কল্যাণ সচিব
আহমেদ মুনীরুছ সালেহীন বলেন, “আমাদের যত তৎপরতা তার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি সুষ্ঠু
ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন। আমরা অংশীদারদের নিয়ে একসাথে কাজ করব, যাতে এক কোটি ২০ লাখ প্রবাসীর
অধিকার সংরক্ষিত হয়।”
অনুষ্ঠানে কর্মজীবী
নারী, ডব্লিউএআরবি ডেভেলপমেন্ট ফোরাম, বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র, অভিবাসী কর্মী
প্রোগ্রাম, আইওএম, বোমসা, রামরু প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।