ক্যাটাগরি

মোহামেডানের ৮ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে রোববার ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে ৪-১ গোলে জিতেছে প্রতিযোগিতার ১০বারের চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান। আগের ম্যাচে ৩-০ গোলে আবাহনীর কাছে হেরেছিল তারা।

সমান ৩ করে পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে মোহামেডানের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলা আবাহনী। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আগামী বুধবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে আবাহনীর। এ ম্যাচ ড্র হলেও নকআউট পর্বে যাবে মোহামেডান। শেষ আটে যেতে মুক্তিযোদ্ধাকে জিততে হবে বড় ব্যবধানে।

আবাহনীর বিপক্ষে ছায়া হয়ে থাকা মোহামেডান শুরু থেকে মুক্তিযোদ্ধার রক্ষণে চাপ দিতে থাকে। চতুর্থ মিনিট জাপানি মিডফিল্ডার উরু নাগাতার পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে আমির হোসেন বাপ্পীর শট কর্নারের বিনিময়ে ফেরান গোলরক্ষক মাহফুজ হাসান।

দ্বাদশ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর থেকে শাহেদ মিয়ার জোরালো শট ফিরিয়ে মুক্তিযোদ্ধার ত্রাতা মাহফুজ। ২৪তম মিনিটে মোহাম্মদ আতিকুজ্জামানের লম্বা থ্রো ইনের পর বল পেয়ে ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি আমিনুর রহমান সজীব।

তিন মিনিট পর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রথম ভালো সুযোগ পায়। কিন্তু ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান বেকামেঙ্গের শট ফেরান গোলরক্ষক আহসান হাবিব বিপু। তরিকুল ইসলামের ফিরতি শট যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

৩২তম মিনিটে সজীবের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার পর প্রথমার্ধের শেষ দিক অধরা গোলের দেখা পায় মোহামেডান। ২০ গজ দূর থেকে হাবিবুর রহমান সোহাগের ফ্রি কিক বাঁক খেয়ে জালে জড়ায়।

সর্বশেষ ২০০৩ সালে ফেডারেশন কাপ জেতা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের গোলের অপেক্ষা ফুরায় ৬৮তম মিনিটে। আক্রমণে ওঠা মোহামেডানের এক খেলোয়াড় ভুলে বল তুলে দেন মুক্তিযোদ্ধার আকবারালি খোলদারোভের পায়ে। উজবেকিস্তানের এই ফরোয়ার্ডের বাড়ানো বল ধরে রক্ষণের বাঁধার মুখে বেকামেঙ্গে দেন মাঝমাঠের একটু উপরে সুজন মিয়াকে। এই ডিফেন্ডারের ক্রসে খোলদারোভ হেডে লক্ষ্যভেদ করেন।

সাত মিনিট পরই মুক্তিযোদ্ধার সমতায় ফেরার স্বস্তি কেড়ে নিয়ে ফের এগিয়ে যায় মোহামেডান। কর্নারে উড়ে আসা বল খোলদারোভ হেডে বিপদমুক্ত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু উপরে উঠে যাওয়া বলে নাগাতার হেডের পর গোলমুখে থাকা আতিকুজ্জামানও মাথা ছুঁইয়ে জাল খুঁজে নেন।

৮০তম মিনিটের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ মুঠোয় নেয় মোহামেডান। বাঁ দিক থেকে সজীবের ক্রস ডান পায়ে নামিয়ে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন আবিওলা নুরাত। তিন মিনিট পর সজীবের সঙ্গে একবার বল দেওয়া নেওয়া করে নিখুঁত শটে ব্যবধান আরও বাড়ান নাইজেরিয়ার এই ফরোয়ার্ড।