রোববার রাজধানীর সিরডাপ
মিলনায়তনে ‘বৈশ্বিক মহামারী ও সামাজিক দুর্যোগ প্রতিরোধে তরুণদের ভূমিকা’ শিরোনামে
এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। ব্র্যাক হিউম্যানিটারিয়ান প্রোগ্রাম এই সেমিনারের আয়োজন
করে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের
শুরুর দিকের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, “করোনা শুরু হওয়ার পরে পরীক্ষার
জন্য আমাদের কোনো ল্যাব ছিল না। পরে মার্চের মাঝামাঝিতে আইইডিসিআর প্রথম ল্যাব প্রতিষ্ঠা
করে। এরপর দেখা গেল এত বেশি সংক্রমণ হচ্ছে, তখন ল্যাব সংকট ছিল, ডিটেকশনে সংকট হচ্ছিল।
করোনাভাইরাস মোকাবেলার
চেয়ে সরকার এখন সামাজিক সুরক্ষার দিকে বেশি নজর দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন,
“সমস্যা হচ্ছে এই পেন্ডেমিক মোকাবেলায় সোশাল যে ডিজাস্টার হয়েছে সেটা। এখানেও সরকার
মানবিক সহায়তা দিচ্ছে। দরিদ্র সহায়তার পাশাপাশি শিল্প কারখানায় সরকার বিভিন্ন প্যাকেজ
ঘোষণা করছে।”
বাংলাদেশে যেভাবে করোনাভাইরাস
সংক্রমণ ছড়িয়েছে, তা নিয়েও কথা বলেন এনামুর রহমান।
“চীনের উহান থেকে যখন
প্রথম ব্যাচ আসলো, ৩১৩ জনকে আমার রিসিভ করলাম, তাদেরকে আশকোনা হাজী ক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে
রাখলাম। তখন তাদের মধ্যে কারও করোনা পাইনি। তাদেরকে সুস্থ পেয়ে ছেড়ে দিয়েছি। এরপর ইতালি,
ইউরোপ, ইংল্যান্ড থেকে যে যাত্রীগুলো আসতে শুরু করল, তিন মাসের মধ্যে ছয় লক্ষ প্যাসেঞ্জার
আসলো। এত বিশাল সংখ্যক যাত্রীদের কোয়ারেন্টিনে রাখা, তাদেরকে খাওয়া-দাওয়া দেওয়া, এই
সামর্থ আমাদের ছিল না। যার ফলে এই লোকগুলো বাংলাদেশে ছড়িয়ে গেছে। সেখান থেকে আমাদের
করোনা আসছে।”