মঙ্গলবার
এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন,
“কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে এ বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারিনি,
সম্ভব হয়নি। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক স্ব স্ব শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে।
“ইতোমধ্যে
শিক্ষাবোর্ডগুলো জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের কাজও সম্পন্ন করেছে।
বোর্ডগুলো সকল শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ সদন দেবে, কিন্তু কোনো নম্বরপত্র দেওয়া হবে না
“
শিক্ষামন্ত্রী
বলেন, “আমরা যদিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে, অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে কিছুটা
মূলায়ন করেছি, সে মূল্যায়নপত্রও আমরা সংগ্রহ করব। কিন্তু আমরা কোনো নম্বরপত্র এবার
দিচ্ছি না, এ কারণে জেএসসি-জেডিসির সনদপত্রে জিপিএ উল্লেখ থাকবে না।”
বাংলাদেশে
করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর পর গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
বন্ধ করে দেওয়া হয়। কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্যসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগামী ১৬
জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে।
মহামারীর
মধ্যে এবার পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। এইচএসসি ও সমমানের
পরীক্ষার্থীদের ফল ঘোষণা করা হচ্ছে অষ্টম ও এসএসসির ফল বিবেচনায় নিয়ে।
পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় স্কুলের
বার্ষিক পরীক্ষাও এবার হয়নি। পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীরা সবাই পরের ক্লাসে উঠে যাবে।
তবে শিক্ষার্থীদের কোথায় দুর্বলতা তা বোঝার জন্য
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে সাপ্তাহিক অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।