দ্রুত ছড়াতে থাকা করোনাভাইরাসের নতুন ধরন এবং বড়দিনের উৎসবের ছুটি দু’য়ে মিলে কোভিড সংক্রমণের হার বেড়ে গেছে।
ব্রিটিশ সরকারের করোনাভাইরাস পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভাইরাস পরীক্ষায় পজিটিভ ফল আসার ২৮ দিনের মধ্যে নতুন ৩৫৭ জনের মৃত্যুও হয়েছে।
পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের চিকিৎসা বিষয়ক পরিচালক বলেছেন, “আমাদের হাসপাতালগুলো নাজুক অবস্থায় থাকার এই সময়ে ভাইরাস সংক্রমণে উর্ধ্বগতি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।”
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তার বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টারা বলেছেন, করোনাভাইরাসের ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রামক নতুন ধরনটি খুব দ্রুতই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই ধরনটি বেশি প্রণঘাতী কিংবা গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে না।
জনসন গত সপ্তাহে বলেছিলেন, করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়া মানে সামনে আরও কঠিন দিন আসছে। আর মন্ত্রীরা বলেছিলেন, সংক্রমণ ঠেকাতে আরও বেশি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়তে পারে।
রয়টার্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে কোভিড-১৯ শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখের ওপরে। আর মারা গেছে ৭১ হাজারের বেশি মানুষ।
দেশটির সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং সরকারি উপদেষ্টারা মঙ্গলবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের সংক্রমণ থেকে নতুন করে মানুষের মৃত্যুমিছিল ঠেকাতে আরও কঠোর লকডাউন বিধি জারি করা প্রয়োজন।
তাছাড়া, তৃতীয় দফায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঢেউ রুখতে যুক্তরাজ্যে এক সপ্তাহেই ২০ লাখ মানুষের টিকা নেওয়া অবশ্যম্ভাবী, লন্ডন স্কুল অব হাইজিন এন্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন (এলএসএইচটিএম) এক গবেষণায় একথা বলেছে।