যুবলীগের
কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. গোলাম কিবরিয়া মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে এই মামলা দায়ের
করেন।
তার
আর্জি শুনে বিচারক আবু সাঈদ অভিযোগ তদন্ত করে আগামী বছরের ২ ফেব্রয়ারি মধ্যে
পুলিশের ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে প্রতিবেদন
দাখিলের নির্দেশ দেন বলে বাদীর অন্যতম আইনজীবী মো. হেমায়েত উদ্দীন মোল্যা জানান। হেমায়েত নিজেও যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।
আরজিতে
বলা হয়, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নিখিল ‘মোটা টাকার বিনিময়ে’ কয়েকজনকে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ ‘পাইয়ে দিয়েছেন’।
গত
২৮ নভেম্বর মামলার বাদী ওই পত্রিকায় প্রতিবাদলিপি
পাঠান। নিখিল নিজেও অবজারভারে প্রতিবাদলিপি দেন বলে মামলার আর্জিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সেখানে
বলা হয়, বাদী মনে করেন, তার নিজের এবং মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ‘সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য পরস্পর যোগসাজশে উদ্দেশ্যমূলকভাবে’ আসামিরা ওই প্রতিবেদন ছাপিয়েছে।
“তারা
প্রতিবাদ পাঠানোর পর মিথ্যা সংবাদ
প্রকাশের বিষয়ে কোনো প্রকার দুঃখ প্রকাশ করেননি। এ মিথ্যা সংবাদ
বাদীকে ক্ষুব্ধ করেছে। তার সামাজিক মযার্দার হানি হয়েছে।”
মামলায়
যুবলীগের কার্যনিবাহী কমিটির ৫ জন প্রেসিডিয়াম
সদস্য এবং একজন সহ সম্পাদককে সাক্ষী
করা হয়েছে।
বাদীর
আইনজীবী হিসাবে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের
প্রধান কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু জবানবন্দি গ্রহণে আদালতকে সাহায্য করেন।
জবানবন্দিতে
বাদী গোলাম কিবরিয়া বলেন, “আমি আমার নিজ যোগ্যতার কারণ পদ পেয়েছি। টাকার
বিনিময়ে পদ পাইনি।”
আবদুল্লাহ
আবু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এর আগে একই
বিষেয়ে ওই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে
গত ৯ ডিসেম্বর আরো
তিনটি মামলা হয়।