কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০১৯-২০
অর্থবছরের জন্য এই লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে।
আগামী ১৩ মার্চ সাধারণ সভায় এবারের লভ্যাংশের অনুমোদন নিতে
হবে। সেজন্য রেকর্ড ডেট ঠিক হয়েছে ২০ জানুয়ারি।
সেখানে অনুমোদন পেলে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে
বিনিয়োগকারীরা ৩ টাকা করে পাবেন।
লভ্যাংশের খবরের পরও ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টসের শেয়ারের দাম কমেছে।
ঢাকার পুঁজিবাজারে সোমবার এ শেয়ার ১ হাজার ৯৬ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছিল, মঙ্গলবার
লেনদেন হচ্ছে ১ হাজার ১৯ টাকায়।
৩০ জুন শেষ হওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস প্রতি
শেয়ারে মুনাফা করেছে ৫ টাকা ৪৩ পয়সা। আর তাদের শেয়ার প্রতি সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে
১৭৮ টাকা ৪৫ পয়সায়।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির শেয়ার
বর্তমানে লেনদেন হচ্ছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে।
ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মুনাফা করেছিল ৪
কোটি ৪ লাখ টাকা, লভ্যাংশ দিয়েছিল শেয়ার প্রতি ১০ টাকা ।
২০১৭-১৮ অর্থবছরে মুনাফা করেছিল ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
লভ্যাংশ দিয়েছিল শেয়ার প্রতি ১০ টাকা ।
আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মুনাফা করেছিল ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
লভ্যাংশ দিয়েছিল শেয়ার প্রতি ১০ টাকা।
পুঁজিবাজারে এ কোম্পানির ৯ লাখ ৯৪ হাজার টি শেয়ার আছে। এর
মধ্যে ১৫ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ আছে পরিচালকদের হাতে। এছাড়া সরকারের হাতে আছে ৫১
শতাংশ।
এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ
এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৫ দশমিক ৬২ শতাংশ শেয়ার আছে।
ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টসের বর্তমান বাজার মূলধন ১০৯ কোটি
টাকা। কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৯৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা; রিজার্ভের পরিমাণ ১৭ কোটি ১৭
লাখ টাকা।
২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের মুনাফার তথ্যও প্রকাশ করেছে
ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস।
জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টসের শেয়ার
প্রতি মুনাফা করেছে ২ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর এই সময় শেয়ার প্রতি মুনাফা ছিল ১
টাকা ১৪ পয়সা।
এই সময় তাদের শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৮১ টাকা ৩১
পয়সা।