এর আগে এই সীমাবদ্ধতা আটকে দিয়েছিল ফেডারেল বিচারকের এক আদেশ। ওই আদেশের প্রেক্ষিতেই সোমবার মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে আপিল আবেদন এসেছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সীমাবদ্ধতা কার্যকর হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের ব্যবহার নিষিদ্ধ হবে। জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকির কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের ব্যবহার বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন।
প্রশাসনের দাবি, অ্যাপটির মাধ্যমে মার্কিন গ্রাহকের ব্যক্তিগত ডেটা চীনা সরকারের হাতে চলে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি অস্বীকার করেছে টিকটক। দেশটিতে ১০ কোটির বেশি গ্রাহক রয়েছে ক্ষুদ্র ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মটির।
৭ ডিসেম্বর এক রায়ে ওয়াশিংটনের জেলা আদালতের বিচারক কার্ল নিকোলসের নির্দেশে টিকটকের ওপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সীমাবদ্ধ আটকে যায়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সীমাবদ্ধতা অনুযায়ী মার্কিন গ্রাহকের ডেটা, কনটেন্ট সরবরাহ সেবার ডেটা এবং বাইটড্যান্সের অন্যান্য প্রযুক্তিগত লেনদেনের ডেটা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেই থাকতে হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এমন পদক্ষেপের প্রেক্ষিতে রায়ে বিচারক নিকোলস বলেছেন, এতে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপটির ব্যবহার আটকে যাবে।
সে সময় মার্কিন বিচার বিভাগ বলেছিলো, ডিসট্রিক্ট অফ কলোম্বিয়ার আপিল আদালতে আপিল করা হবে।
১২ নভেম্বর টিকটকের ওপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওই সীমাবদ্ধতা কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো। অক্টোবরে এই সিদ্ধান্ত আটকে দিয়ে আদেশ দিয়েছেন পেনসিলভেনিয়ার জেলা বিচারক ওয়েন্ডি বিটলস্টোনও। বিটলস্টোনের এই আদেশের প্রেক্ষিতেও আপিল করেছে মার্কিন সরকার। ফেব্রুয়ারিতে এই আপিলের শুনানির কথা রয়েছে।
রয়টার্সকে সরকারের কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০ জানুয়ারি ডনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের পরিণতি ঠিক হবে এমন সম্ভাবনা আরও কমছে। তবে, জানুয়ারিতে একটি চুক্তি হতে পারে এমন সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।
মার্কিন সরকারের চাপে টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম নতুন প্রতিষ্ঠানের আওতায় নিতে ওয়ালমার্ট এবং ওরাকলের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে আলোচনা চালাচ্ছে বাইটড্যান্স।