ক্যাটাগরি

পিকে হালদারের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

মঙ্গলবার
ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে. এম. ইমরুল কায়েশ এই আদেশ দেন।

দুর্নীতি
দমন কমিশনের (দুদক)  আদালতের সাধারণ নিবন্ধন
কর্মকর্তা মো. জুলফিকার বলেছেন, ধানমণ্ডির দুটি ফ্ল্যাটসহ পিকে হালদারের স্থাবর সম্পদ
ক্রোকের আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন। শুনানি
শেষে স্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন আদালত।

উচ্চ আদালত উষ্মা প্রকাশের পর কোটি
কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ নিয়ে বিদেশে পলাতক পিকে হালদারকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের
মাধ্যমে পরোয়ানা জারি করতে গত ২ ডিসেম্বর একই আদালত আদেশ দিয়েছিল।

পি
কে হালদার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।

আইএলএফএসএল গ্রাহকদের অভিযোগের মুখে বছরের শুরুতে পি কে হালদারের বিদেশ পালানোর পর দুদক তার ৩০০ কোটি টাকার ‘অবৈধ সম্পদের’  খবর দিয়ে মামলা করে।

বিদেশে থাকা পিকে হালদার গত ২৮ জুন আইএলএফএসএলের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে তার দেশে ফেরার জন্য ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন।

পরে তার জন্য আদালতের হেফাজত চেয়ে আবেদন করে আইএলএফএসএল। আদালত পিকে হালদার কখন, কবে, কোন ফ্লাইটে দেশে ফিরতে চান তা জানাতে বলে।

কিন্তু ২৪ অক্টোবর আইএলএফএসএল অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও দুদককে জানায়, অসুস্থতার কারণে পি কে হালদার আপাতত দেশে ফিরছেন না।

পি কে হালদার বিদেশ পালানোর পর আইএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের পাশাপাশি তার সম্পত্তি জব্দ করা হয়।

এর আগে আইএলএফএসএলে রাখা আমানতের টাকা ফেরতের নির্দেশনা চেয়ে সাত ব্যক্তি হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন।

ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট গত ২১ জানুয়ারি পি কে হালদার, তার মা, স্ত্রী, ভাই এবং ওই কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১৯ জনের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দেয়।

তাদের দেশত্যাগ ঠেকাতে ওই নির্দেশ দেওয়া হলেও পি কে হালদার ততদিনে লাপাত্তা হয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর আসে।