শুক্রবার রাতে মহাখালী কাঁচাবাজার এলাকায় ছুরিকাঘাতে আরিফ (১৬) নামে এক কিশোর নিহত এবং
সোহাগ (১৫) ও হাসান (১৬) নামে তার দুই বন্ধু আহত হয়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল
পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, আরিফ,
সোহাগ ও হাসানকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তাদের
বন্ধুরা। ছুরিকাঘাতে আহত তিনজনকে জরুরি বিভাগে আনলে চিকিৎসক আরিফকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাহকদের
বরাত দিয়ে তিনি বলেন,
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহাখালী কাঁচাবাজারের সামনে আরিফসহ তিনজনকে
এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে সন্ত্রাসীরা।
আরিফের
বন্ধু পরিচয় দেওয়া রবিন হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, “কয়েকজন বন্ধু মিলে মহাখালী কাঁচাবাজার এলাকায় একটি হোটেলে খেতে যাওয়ার সময় জনি
ও নুরুসহ কয়েকজন তাদের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে।”
কেন তাদের
ছুরিকাঘাত করেছে, সে
বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।
জনি ও নুরু
মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে থাকেন জানিয়ে তিনি বলেন, তারা ‘মাদকাসক্ত’।
আরিফ পরিবারের
সঙ্গে মহাখালী সাততলা বস্তিতে থাকতেন। সোহাগ ও আরিফও সাততলা বস্তিতে থাকেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে
বনানী থানার ওসি নুরে আজম বলেন, “সবগুলোই
মাদকাসক্ত। নিজেদের মধ্যে ঝামেলা থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা
চলছে।”
এদিকে রাজধানীর
মিরপুর ভাষানটেকের মাটিকাটা এলাকার একটি ভবনের পাঁচতলার চিলেকোঠার একটি কক্ষ থেকে শাহ আলম
(৩৮) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তাকে ছুরিকাঘাত
করে হত্যা করা হয়েছে বলে ভাষানটেক থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিকালে শাহ
আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে দুই দিন আগে ওই বাসায় তাকে হত্যা করে
খুনিরা পালিয়ে যায়।
একটি বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের কর্মী অবিবাহিত শাহ আলম একাই ওই কক্ষে ভাড়া থাকতেন।
তার বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে।
ময়নাতদন্তের
জন্য মৃতদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।