ক্যাটাগরি

চেলসিকে উড়িয়ে বছর শুরু সিটির

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে রোববার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ৩-১
গোলে জিতেছে সিটি। তাদের হয়ে একটি করে গোল করেন ইলকাই গিনদোয়ান, ফিল ফোডেন ও কেভিন ডে ব্রুইনে। চেলসির একমাত্র
গোলদাতা ক্যালাম হাডসন-ওডোই।

লিগে চেলসির মাঠে টানা দুই হারের পর জয়ের স্বাদ পেল সিটি। আসরে
প্রথমবারের মতো তারা জিতল টানা তিন ম্যাচ।

স্ট্রাইকার গাব্রিয়েল জেসুস,
ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকারসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছয় জন খেলোয়াড়কে
চেলসির বিপক্ষে পায়নি সিটি। একই কারণে গত সোমবার এভারটনের বিপক্ষে তাদের লিগ
ম্যাচটি স্থগিত করা হয়।

শুরুর দিকে বল দখলে চেলসি কিছুটা এগিয়ে থাকলেও প্রথম ভালো সুযোগটি
পায় সিটি। পঞ্চদশ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর থ্রু বল ধরে গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট
লক্ষ্যে রাখতে পারেননি ডে ব্রুইনে।

খানিক বাদে তিন মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।
অষ্টাদশ মিনিটে বাঁ দিক থেকে অলেকসান্দার জিনচেঙ্কোর বাড়ানো বল ডি-বক্সের সামনে
খুঁজে পায় ফোডেনকে। তার পাসে বল পেয়ে শরীরটা ঘুরিয়ে নিয়ে ডান পায়ের নিচু শটে
ঠিকানা খুঁজে নেন গিনদোয়ান। ঝাঁপিয়ে পড়া গোলরক্ষক এদুয়াঁ মঁদির হাত ছুঁয়ে বল জালে
জড়ায়।

একটু পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফোডেন। বাঁ দিক থেকে ডে ব্রুইনের পাস
ছয় গজ বক্সের সামনে পেয়ে প্রথম স্পর্শে বল জালে পাঠান ২০ বছর বয়সী এই ইংলিশ
মিডফিল্ডার।

৩৪তম মিনিটে ডে ব্রুইনের গোলে স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-০। চেলসির ফ্রি-কিক
সিটি ক্লিয়ার করার পর মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে রাহিম স্টার্লিংয়ের নেওয়া
শট ফেরে পোস্টে লেগে। ছয় গজ বক্সের সামনে বল পেয়ে জালে পাঠাতে ভুল করেননি বেলজিয়ান
মিডফিল্ডার ডে ব্রুইনে।

সিটির প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক এদেরসনের জায়গায় প্রিমিয়ার লিগে অভিষিক্ত
জ্যাক স্টিভেনকে প্রথমার্ধে তেমন কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি চেলসি। এই সময়ে গোলের
উদ্দেশে তাদের চার শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল কেবল একটি। সিটির ১১ শটের চারটি ছিল
লক্ষ্যে, এর তিনটিতে মেলে সাফল্য।

দ্বিতীয়ার্ধের নবম মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারতো আরও। ডে ব্রুইনের
ফ্রি-কিকে কাছ থেকে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রির নেওয়া হেড লাফিয়ে এক হাতে
কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন মঁদি।

বাকি সময়ে দুই দলের কেউ পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। যোগ
করা সময়ে চেলসির হয়ে ব্যবধান কমান হাডসন-ওডোই। কাই হার্ভাটজের পাস থেকে সহজেই
গোলটি করেন এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

১৫ ম্যাচে আট জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে আছে সিটি। ১৬
ম্যাচে সিটির সমান পয়েন্ট নিয়ে টটেনহ্যাম হটস্পার চারে ও এভারটন ছয়ে আছে। ১৭
ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে আটে চেলসি।

নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে ২-১ গোলে হারানো লেস্টার সিটি ১৭ ম্যাচে ৩২
পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে। এক ম্যাচ কম খেলে ৩৩ পয়েন্ট করে নিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
দুইয়ে ও শিরোপাধারী লিভারপুল আছে শীর্ষে।