ক্যাটাগরি

ফরিদপুরের বরকত ও রুবেলের জামিন প্রশ্নে হাই কোর্টের রুল

দুই
ভাইয়ের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ
সোহেলের ভার্চুয়াল হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেয়।

আদালতে
বরকত-রুবেলের জামিনের পক্ষে শুনানি করেন মো. কামরুল আলম। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিনউদ্দিন মানিক।

আইনজীবী
খুরশীদ আলম খান পরে সাংবাদিকদের বলেন, “বরকত হোসেন এবং রুবেল উনারা জামিন চেয়েছিলেন। অর্থ পাচার মামলায় উনাদের বিরুদ্ধে সুনির্দষ্ট অভিযোগ আছে, আমরা সেটি আদালতকে বলেছি।

“আদালত
দুই পক্ষকে শুনে শুধু রুল দিয়েছেন। দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এরপর রুলের পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে। তখন উনাদের জামিনের বিষয়টি হাই কোর্ট নির্ধারণ করবেন।”

গত
১৬ মে রাতে শহরের
গোয়ালচামট মহল্লার মোল্লা বাড়ি সড়কে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার বাড়িতে দুই দফা হামলা হয়।


ফরিদপুরের বরকত-রুবেলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
 

১৮
মে সুবল সাহা এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা
ব্যক্তিদের আসামি করে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা করেন। ৭ জুন রাতে
এ মামলার আসামি হিসেবে প্রথমে বরকত ও রুবেলকে গ্রেপ্তার
করে পুলিশ।


হামলা মামলা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে আরো আটটি মামলা হয়েছে;  যার
মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্ত্র, মাদক, হত্যা, চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগের
মামলা। এসব মামলায় তাদের কয়েক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

অর্থপাচারের
এই মামলায়ও গত বছর ১৪
জুলাই তাদের দুইদিন রিমান্ডের অনুমতি দেয় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম।

গত
বছর ২৬ জুন পুলিশের
অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এর পরিদর্শক এসএম
মিরাজ আল মাহমুদ বাদী
হয়ে ঢাকার কাফরুল থানায় মানি লন্ডারিংয়ের এ মামলা করেন।
দুই ভায়ের বিরুদ্ধে ‘অবৈধ উপায়ে দুই হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন এবং পাচারের অভিযোগ আনা হয় সেখানে।

এজাহারে
বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে বর্তমান বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারী ‘নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের’ মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল।

এছাড়া
‘মাদক ব্যবসা ও ভূমি দখলের’
অভিযোগ আনা হয়েছে এজাহারে। এভাবে উপার্জিত ‘অবৈধ’ অর্থ দিয়ে বিভিন্ন সম্পত্তির মালিক হওয়ার
পাশাপাশি তারা হুন্ডির মাধ্যমে
বিদেশেও ‘অর্থ পাচার’
করেছেন বলে দুদকের ভাষ্য।