টিকার বদৌলতে অচিরেই স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশা প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) প্রফেসর স্টিফেন।
বিবিসি জানায়, সোমবার স্থানীয় সময় সকালে অক্সফোর্ডের চার্চিল হাসপাতালে ব্রায়ানকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এ টিকা নিতে পেরে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অক্সফোর্ডের চার্চিল হাসপাতালের আরও কয়েকজনকে প্রথম ধাপে এ টিকা দেওয়া হয়।
তাছাড়া, অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের পরিচালকও টিকা নিয়েছেন। এ টিকা নিয়ে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে এবং অনেক বেশি সুরক্ষিত বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
যুক্তরাজ্যে এর আগে গত বছর ডিসেম্বরেই শুরু হয়েছিল ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকাদান কর্মসূচি। এরই মধ্যে তা বহু মানুষকে দেওয়া হয়েছে।
এবার অক্সফোর্ড/এস্ট্রাজেনেকার টিকা প্রথম দিন থেকেই ৫ লাখের বেশি মানুষকে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকার আরও ১০ কোটি ডোজ টিকা কেনার অর্ডার দিয়ে রেখেছে।
অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকা সংরক্ষণ করা অন্যান্য টিকার তুলনায় সহজ হওয়ায় এটি বিতরণ করাও সহজ হবে।
এনএইচএস এর প্রফেসর স্টিফেন অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাকে ‘উল্লেখযোগ্য এক বৈজ্ঞানিক অর্জন’ বলে বর্ণনা করেছেন। ‘বিবিসি ব্রেকফাস্ট’ নিউজ প্রোগ্রামে তিনি এবছর গ্রীষ্মের মধ্যেই মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশা প্রকাশ করেছেন।
মানুষ আবার কখন আগের মত অবাধে সবকিছু করতে পারবে- এমন প্রশ্নের জবাবে স্টিফেন বলেন, “প্রত্যেকের মতো আমিও আশা করছি, বসন্তে পা দিতে দিতে কিংবা গ্রীষ্ম আসতে আসতে আমরা অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারব।”
তবে এ মুহূর্তে সন্দেহাতীতভাবেই সংক্রমণের হার খুবই বেশি এবং বিশেষ করে লন্ডন এবং দক্ষিণ-পূর্বের কিছু অঞ্চলে এনএইচএস প্রচণ্ড চাপে আছে বলেও উল্লেখ করেছেন স্টিফেন। তিনি বলেন, ওই সব জায়গায় করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের কারণে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে।
“দেশের বাদবাকী অংশেও নতুন ধরন ছড়িয়ে যাচ্ছে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় চাপ বাড়তে দেখা যাচ্ছে”, বলেন তিনি।