আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়
রোববার লিগে অবনমন অঞ্চলের দলটিকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন।
প্রথমার্ধে দুই গোল
হজমের পর দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ মিনিটের মধ্যে জসুয়া কিমিচ ও লেরয় সানের গোলে সমতায় ফেরে
তারা। এরপর নিকলাস সুল দলটিকে এগিয়ে নেওয়ার পর রবের্ত লেভানদোভস্কির জোড়া গোলে বড় জয়
নিয়ে মাঠ ছাড়ে গত মৌসুমে ট্রেবল জেতা দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকে
বল দখলে এগিয়ে ছিল বায়ার্ন। কিন্তু তাদের ডিফেন্স লাইনকে স্বাভাবিকের চেয়ে উপরে তুলে
রাখার কৌশলের ফাঁক গলে এগিয়ে যায় মাইন্স।
৩২তম মিনিটে নিজেদের
সীমানা থেকে সতীর্থের উঁচু করে বাড়ানো বল প্রথম টোকায় সাসনে বাড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে জোরালো
শটে ওয়ান-অন-ওয়ানে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ইয়োনাটান বুর্কাড।
আর ৪৪তম মিনিটে ডান
দিক থেকে নেওয়া সতীর্থের ফ্রি কিকে দারুণ হেডে দূরের পোস্ট দিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন
মাইন্সের ডিফেন্ডার আলেক্সান্ডার হাক।
দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয়
মিনিটে আবারও অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল সফরকারীরা। কিন্তু
এ যাত্রায় গোলরক্ষক নয়ারকে একা পেয়েও তার বরাবর শট নিয়ে বসেন ড্যানি লাটসা।
এর দুই মিনিট পরেই
ব্যবধান কমান কিমিচ। বাইলাইন থেকে সের্গে জিনাব্রির কাটব্যাকে লেভানদোভস্কির হেডে গোলমুখে
বাড়ানো বল হেডেই কাছের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ান জার্মান ডিফেন্ডার।
আর ৫৫তম মিনিটে একক
নৈপুণ্যে সমতা টানেন সানে। ডান দিকে কিমিচের পাস ধরে বাঁ দিকে আড়াআড়ি খানিকটা এগিয়ে
ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিচু শটে পোস্ট ঘেঁষে ঠিকানা খুঁজে নেন সানে।
৭০তম মিনিটে কর্নার
থেকে উড়ে আসা বল মাইন্সের ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে
যান নিকলাস সুলে। বাঁ পায়ের শটে স্কোরলাইন ৩-২ করেন এই জার্মান ডিফেন্ডার।
ছয় মিনিট পর সফল
স্পট কিকে ব্যবধান বাড়ান আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা লেভানদোভস্কি। ডি-বক্সে জিনাব্রি ফাউলের
শিকার হলে পেনাল্টিটি পায় তারা। আর ৮৩তম মিনিটে ডান দিক থেকে টমাস মুলারের ক্রসে ভলিতে
নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ২০২০ এর ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়।
এবারের বুন্ডেসলিগায়
পোলিশ ফরোয়ার্ডের গোল হলো ১৯টি।
আগের দিন স্টুটগার্টকে
হারিয়ে শীর্ষে উঠেছিল লাইপজিগ। ১৪ ম্যাচে ১০ জয় ও তিন ড্রয়ে ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে
ফিরল বায়ার্ন। দুইয়ে নেমে যাওয়া লাইপজিগের পয়েন্ট ৩১।
২৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে
লেভারকুজেন।