পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী সোমবার তাকে দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয় বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান।
প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদে তার বক্তব্য থেকে দুর্নীতির আমলযোগ্য তথ্য পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
গ্রেপ্তারের বিষয়ে দুদক সচিব মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, পি কে হালদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শংখ ব্যাপারীর নামে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে।
“পি কে হালদারের অর্থায়নে এই ফ্ল্যাট কিনেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা মনে করছেন, তাকে গ্রেপ্তার করলে তার নামে আরও অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া যাবে।”
আইএলএফএসএল গ্রাহকদের অভিযোগের মুখে পি কে হালদারের বিদেশ পালানোর পর গত বছরের ৮ জানুয়ারি দুদক তার বিরুদ্ধে ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক।
বিদেশে থাকা পিকে হালদার গত ২৮ জুন আইএলএফএসএলের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে তার দেশে ফেরার জন্য ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন।
আদালত তাতে অনুমতি দিলেও পিকে হালদার না ফেরায় ইন্টারপোলের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
ঢাকার জজ আদালত ইতোমধ্যে পি কে হালদারের সব স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করারও আদেশ দিয়েছে।