আগামী ১৩ জানুয়ারি
পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য তারিখ পড়েছে।
বুধবার মামলার দ্বিতীয়
তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের ধানমণ্ডি জোনাল টিমের সহকারী কমিশনার মো. ফজলুর রহমান
আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী
বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমানের আদালতে উপস্থিত তদন্ত কর্মকর্তা পরবর্তী
ধার্য তারিখে সাক্ষ্য দিতে উপস্থিত থাকবেন মর্মে রাষ্ট্রপক্ষ তার লিখিত মুচলেকা নিয়েছে।
অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে
বই প্রকাশ ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সস্ত্রীক দেশে আসেন
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অভিজিৎ রায়। ওইদিন রাতে বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এলাকায় টিএসসির সামনে অভিজিৎ ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।
এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান অভিজিৎ। গুরুতর আহত হন বন্যা।
এ ঘটনায় ২৭ ফেব্রুয়ারি
অভিজিতের বাবা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অজয় রায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
২০১৯ সালের ১৩ মার্চ
ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযাগপত্র জমা দেন
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।
মামলায় ৩৪ জনকে সাক্ষী করা হয়।
ওই বছরের ১১ এপ্রিল
ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান ছয় আসামির বিরুদ্ধে
অভিযোগপত্র আমলে নেন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের
মধ্যে চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া পলাতক থাকলেও অপর আসামি মোজাম্মেল
হুসাইন ওরফে সায়মন, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, আকরাম হোসেন
ওরফে আবির, মো. আরাফাত রহমান ও শফিউর রহমান ফারাবি কারাগারে আছেন।