সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর বুধবার এ
নির্দেশনা দিয়ে একটি সার্কুলার জারি করলেও বৃহস্পতিবার সার্কুলারটি সর্বোচ্চ আদালতের
ওয়েবসাইটে তোলা হয়।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, “সম্প্রতি অত্র কোর্টের গোচরীভূত হয়েছে
যে, কোন কোন জেলায় জেলা জজ/মহানগর দায়রা জজ/চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চীফ মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেটগণ এজলাস সময়ে তাদের খাস কামরায় অধীনস্থ বিচারকগণসহ আলোচনারত থাকায় এজলাসে
বিলম্বে উঠেন। এছাড়া কোন কোন বিচারক/ম্যাজিস্ট্রেট নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই এজলাস ত্যাগ
করেন। ফলে আদালতের বিচারিক কর্মঘন্টা পুর্ণ সদ্ব্যবহার হচ্ছে না।
“এমতাবস্থায় দেশের অধস্তন আদালতের জেলা জজ/মহানগর দায়রা জজ/চীফ
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণকে নির্ধারিত বিচারিক কর্মঘণ্টায়
অধীনস্থ বিচারক/ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাথে আলোচনা পরিহার করে বিচারিক কর্মঘণ্টার পূর্ণ
সদ্ব্যবহার করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হলো।”
প্রশাসনিক বা বিচারিক কোনো বিষয়ে অধিনস্ত বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেটদের
সঙ্গে আলোচনার দরকার হলে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পর করতে বলা হয়েছে সার্কুলারে।
সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিচারিক কর্মঘণ্টা
নির্ধারিত বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও বিশেষ
কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান।