মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) দুলাল মিয়াকে আদালতে হাজির করে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আ ফ ম আসাদুজ্জামান।
এরপর ঢাকার মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তার খাস কামরায় দুলাল মিয়ার জবানবন্দি রেকর্ড করেন
বলে নারী ও শিশু আদালতে পুলিশের
সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা স্বপন কুমার মণ্ডল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন।
গত ৮ জানুয়ারি একই আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন দিহান। তিনি
এখন কারাগারে আছেন।
গত ৭ জানুয়ারি কলাবাগানের ওই বাসা থেকেই ‘ও’ লেভেলের ওই ছাত্রীকে মডার্ন হাসপাতালে
নিয়ে গিয়েছিলেন তার বন্ধু দিহান। তবে তার আগেই মেয়েটির মৃত্যু হয়।
পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, “তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া না গেলেও যৌনাঙ্গ ও পায়ুপথে ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিকৃত যৌনাচারের
কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে
তার মৃত্যু হয়েছে।”
দিহান পুলিশের
কাছে দাবি করেন, পরস্পরের ‘সম্মতিতে’ তার ফাঁকা বাসায় দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তারা।
তবে মেয়েটির
বাবা ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে দিহানকে আসামি করে মামলা
করেন।
আরও পড়ুন
দিহানের ডিএনএ পরীক্ষায় আদালতের অনুমতি
কলাবাগানে কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যা: ‘দায় স্বীকার’ করে বন্ধুর জবানবন্দি