ঢাকায়
মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের কাছে সোমবার এ তালিকা তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার উইংয়ের
মহাপরিচালক দেলওয়ার হোসেন।
তিনি
মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি রাষ্ট্রদূতের কাছে গতকাল (সোমবার)
এই তালিকা তুলে দিয়েছি।”
২০১৭
সালের ২৫ অগাস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের
বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। আগে থেকে বাংলাদেশে ছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা।
আন্তর্জাতিক
চাপের মধ্যে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে ২০১৭ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের
সঙ্গে চুক্তি করলেও সেই প্রত্যাবাসন আজও শুরু হয়নি।
২০১৯
সালে দুই দফা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও রাখাইন রাজ্যের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কার কথা
তুলে ধরে ফিরতে রাজি হননি রোহিঙ্গারা।
তারা
যেন নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে স্বভূমিতে ফিরতে পারে সেই বন্দোবস্ত করতে
মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এর মধ্যে
চলতি বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর জন্য মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে
লেখা চিঠিতে আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
নতুন
দুই লাখ ৩০ হাজার মিলিয়ে ছয় দফায় মিয়ানমারের কাছে ৮ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা
হস্তান্তর করা হয়েছে বলে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে
এখন পর্যন্ত মাত্র ৪২ হাজার জনের তালিকা যাচাই করেছে মিয়ানমার।
প্রত্যাবাসন
নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গেলেও রোহিঙ্গাদের নিবাস মিয়ানমারের দিক থেকে আন্তরিকতার অভাবের
কথা বলে আসছে বাংলাদেশ।