ক্যাটাগরি

ইরান আল কায়েদার নতুন ঘাঁটি: পম্পেও

আল কায়েদাকে নতুন ঘাঁটি গাড়তে দেওয়ার জন্য ইরান সরকারকে পম্পেও প্রকাশ্যেই দায়ী করেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এক বক্তব্যে পম্পেও বলেন, “আফগানিস্তানে আল-কায়েদা পাহাড়ে লুকিয়ে ছিল। আর আজ ইরানে তারা সরকারের কঠোর সুরক্ষা বলয়ে থেকে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।”

যদিও এই অভিযোগের সপক্ষে পম্পেও কোনও অকাট্য প্রমাণ হাজির করেননি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ এমন অভিযোগ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও বলেন, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলেই তেহরানের সঙ্গে আল কায়েদার সম্পর্ক অনেক উন্নত হয়েছে।

শিয়াভিত্তিক ইরান এবং সুন্নিভিত্তিক আল কায়েদাকে দীর্ঘদিন ধরেই ওই অঞ্চলে শত্রু হিসাবে গণ্য করা হয়ে আসলেও পম্পেও বলছেন, মানুষের এই ধারণা ঠিক নয়।

মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের সংবাদ সম্মেলনে পম্পেও ইরানে আল কায়েদার সেকেন্ড ইন কমান্ড আবদুল্লাহ আহমেদ আবদুল্লাহরর উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেন, যিনি আবু মোহাম্মদ আল মাসরি নামেও পরিচিত।

৭ অগাস্ট ইরানে মাসরি মারা যাওয়ার খবরও প্রথম নিশ্চিত করে জানিয়েছেন পম্পেও। এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত আর কিছু বলেননি। তবে ইরান গত নভেম্বরে তেহরানে ইসরায়েলি এজেন্টের হাতে আল কায়দা কমান্ডার আল মাসরি নিহত হওয়ার খবর অস্বীকার করেছে।

কিন্তু সেই ২০১৫ সাল থেকেই পম্পেওর অভিযোগ, ইরান আল কায়েদা নেতাদেরকে অন্যান্যদের সঙ্গে অবাধে যোগাযোগ করাসহ অভিযান পরিচালনা, প্রচার এবং অর্থ সংগ্রহেরও অনুমতি দিয়েছে; যেগুলো আগে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান থেকে পরিচালনা করত আল কায়দা।

পম্পেও তার বক্তব্যে বলেন, “আল কায়েদা নতুন ঘাঁটি গেড়েছে। সেটা হল ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান।”

“ইরানের আল কায়েদা শাখা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে আছে। আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি”, বলেন তিনি।