বুধবার ইরান এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টিভি।
মধ্যপ্রাচ্যে বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থাকা অন্যতম দেশ ইরান। যুদ্ধের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য শত্রু মোকাবেলায় এই অস্ত্রকে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসাবে বিবেচনা করে দেশটি।
পশ্চিমারা ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলেই মনে করে।
মাকরান নামের রণতরী তৈরি করেছে ইরান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, হেলিকপ্টার অবতরণের প্যাড সম্বলিত এই জাহাজ ইরানের সবচেয়ে বড় রণতরী।
এই রণতরী ছাড়াও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-উৎক্ষেপক জাহাজ জেরেহ ওমান উপসাগরে দু’দিনের মহড়ায় অংশ নিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে ইরানের তহবিল আটকে থাকা নিয়ে বিরোধের মধ্যে গত সপ্তাহে পারস্য উপসাগরে দক্ষিণ কোরীয় ট্যাংকার আটক করে ইরান।
ঘটনাটি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে সিউলের উত্তেজনার মধ্যেই এই মহড়া শুরু হল।
এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০১৮ সাল থেকে ইরানের উত্তেজনা ক্রমেই বেড়েছে। ওই বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে এসে ইরানের ওপর সব নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করাসহ নতুন আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।