জনস্বার্থে আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া
নামে এক ব্যক্তির করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও
বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রুল দিয়েছে।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার
জেনারেল, স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগের সচিব,
পুলিশ মহাপরিদর্শককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটকারী আরিফুর রহমান একটি মানবাধিকার
সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী। তিনি নিজেই রিটের শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি
জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
আরিফুর রহমান পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
ডটকমকে বলেন, তিন বছর বয়সের আগে সাধারণত মানুষের আঙুলের ছাপ প্রাকৃতিকভাবে ওঠে না।
ফলে প্রাকৃতিকভাবে আঙুলের ছাপ উঠলে তখন তা জন্ম সনদের সাথে যুক্ত করে নতুন করে জন্ম
সনদ দেওয়া যেতে পারে। রিটের আরজিতে তা বলা হয়েছে। চূড়ান্ত রুল শুনানিতে বিষয়গুলো আরও
ভালভাবে তুলে ধরা হবে।
এর আগে বিভিন্ন সময় বিবাদীদের দপ্তরে
আবেদন করে সাড়া না পেয়ে গত বছরের ১২ মার্চ হাই কোর্টে জনস্বার্থে এই রিট আবেদন করেন
আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, “মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন
কোর্ট নিয়মিত ছিল না। ফলে রিট আগে করলেও শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসেনি। আজ কার্যতালিকায়
আসায় আমি নিজেই শুনানি করি। আদালত রুল জারি করেছেন।”