বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায়
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জানাজার পর তার প্রতি সম্মান দেখিয়ে মহানগর দায়রা
জজ, ঢাকার জেলা দায়রা জজ, মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত, ঢাকার মুখ্য বিচাররিক হাকিম আদালতের
সব বিচারিক কার্যক্রম সারাদিনের জন্য মুলতবি রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
ঢাকার
মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি আব্দুল্লাহ আবু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
ডটকমকে বলেন, “বার ও বেঞ্চের যৌথ সিদ্ধান্তে সারাদিন
কর্মবিরতির ঘোষণা আসে। প্রবীণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবীর মৃত্যুতে আইনজীবী-বিচারক সবাই শোক প্রকাশে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”
এমন সিদ্ধান্তের পর
বিপুলসংখ্যক বিচার প্রার্থী ও আইনজীবীকে এজালাস ত্যাগ করতে দেখা যায়।
খন্দকার আব্দুল মান্নান
ঢাকা বারের সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, বিচার
প্রার্থীদের সাময়িক অসুবিধা হলেও তা পুষিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর
স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রবীণ আইনজীবী খন্দার আব্দুল মান্নান
(৭০)।
খন্দকার মান্নানের
ছেলে তানজীর মান্নান জানান, কিছুদিন আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তার বাবা।
সেরেও উঠেছিলেন।
“কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট
এসেছিল। কিন্তু আবার অসুস্থ হলে কয়েকদিন আগে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার
হৃদযন্ত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।”
খন্দকার আব্দুল মান্নানের
বাড়ি মানিকগঞ্জের নবগ্রামে। আর ঢাকার বাড়ি ছিল লক্ষ্মীবাজারের ১০৩ হৃষিকেশ দাস রোডে।
তিনি চার দশকের বেশি
সময় আইনপেশায় যুক্ত ছিলেন।
তার ঘনিষ্ঠ আইনজীবী
দুলাল মিত্র জানান, খন্দকার মান্নান ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের
দায়িত্বও পালন করেছেন। তিনি বৃহত্তর ঢাকা জেলা আইনজীবী কল্যাণ সমিতির সভাপতিও ছিলেন।
খন্দকার মান্নান বাংলাদেশ
লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), ঢাকা জেলা ইউনিটের সভাপতি ছিলেন।
একাত্তরের ঘাতক-দালাল
নির্মূল কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।