বিশেষ জজ আদালতের এ আদেশে বৃহস্পতিবার সকালে তারা কারাগার মুক্তি পান বলে
জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তৌহিদুল হক সরকার।
আসামিরা হলেন, সাবেক ছয় এমডি হলেন, আবদুল আজিজ খান, প্রকৌশলী খুরশীদুল
হাসান, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, আমিনুজ্জামান, প্রকৌশলী এসএম নুরুল আওরঙ্গজেব এবং প্রকৌশলী
হাবিব উদ্দিন আহমেদ।
২২ আসামির অন্য কর্মকর্তারা সবাই এ কোম্পানির সাবেক ডিজিএম ও জিএম পর্যায়ের
কর্মকর্তা ছিলেন।
আইনজীবী তৌহিদুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “জামিন সংক্রান্ত
আদেশ কারাগারে নির্ধারিত সময়ের পৌঁছাতে না পারায় ২২ কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার সকালে কারাগার
থেকে ছাড়া পেয়েছেন।
তিনি জানান, বুধবার জামিন বাতিল করার পর উচ্চ আদালতে করা জামিন আবেদন পেন্ডিং
থাকায় ওই ২২ আসামির জামিন আবারও বহাল রাখে এই আদালত।
“উচ্চ আদালতের ওই নথি যথাসময়ে স্পেশাল জজ আদালতে দাখিল করতে না পারায় বিচারক
জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন।
পরে উচ্চ আদালতের নথি আদালতে দাখিল করা হলে বিচারক জামিন বহাল রাখার আদেশ জারি
করেন।”
এ আদেশ জেলা কারাগারে পৌঁছানোর আগেই আসামিদের কারগারে নেওয়ায় বুধবার কারাগার
থেকে মুক্তি পাননি আসামিরা। বৃহস্পতিবার সকালে তারা মুক্তি পাওয়ার পর আগেই কারাগার
চত্বরে রাখা মাইক্রোবাসে করে দ্রুত কারাগার বেরিয়ে যান বলেন তিনি।
গত বুধবার দুপুরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল
করিম কয়লা খনির ওই ২২ জন কর্মকর্তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন।