সিরিজের চতুর্থ ও শেষ
টেস্টের প্রথম দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ৫ উইকেটে ২৭৪। ক্যামেরুন গ্রিন অপরাজিত
আছেন ২৮ রানে। ৩৮ রান নিয়ে খেলছেন অধিনায়ক টিম পেইন। দুইবার জীবন পেয়ে ১০৮ রান
করেন লাবুশেন।
চোট নিয়ে সিরিজ
নির্ধারণী এই টেস্ট থেকে ছিটকে পড়েন রবীন্দ্র জাদেজা, হনুমা বিহারি, রবিচন্দ্রন
অশ্বিন ও জাসপ্রিত বুমরাহ। তাদের জায়গায় এসেছেন মায়াঙ্ক আগারওয়াল, ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দুল ঠাকুর ও থাঙ্গারাসু
নাটরাজন। এর মধ্যে অভিষেক হয়েছে নাটরাজন ও সুন্দরের।
ব্রিজবেন ক্রিকেট
গ্রাউন্ডে শুক্রবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি।
প্রথম ওভারেই মোহাম্মদ সিরাজের বলে স্লিপে রোহিত শর্মার দারুণ ক্যাচে বিদায় নেন
ডেভিড ওয়ার্নার।
দুই অঙ্কে যেতে পারেননি
সিরিজে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া মার্কাস হ্যারিসও। থিতু হওয়া স্টিভেন স্মিথকে ফিরিয়ে
প্রথম টেস্ট উইকেটের স্বাদ পান অফ স্পিনার ওয়াশিংটন। আগের টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান
স্মিথ এবার করেন ৩৬। অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ তখন ৩ উইকেটে ৮৭।
স্টিভেন স্মিথকে আউটের পর সতীর্থদের সঙ্গে ওয়াশিংটন সুন্দরের উল্লাস। ছবি: বিসিসিআই
এরপরই ম্যাথু ওয়েডের
সঙ্গে ১১৩ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন লাবুশেন। অথচ এই জুটি ভাঙতে পারতো স্মিথ
ফেরার পরের ওভারেই। নবদিপ সাইনির বলে গালিতে লাবুশেনের ক্যাচ ফেলেন অধিনায়ক
অজিঙ্কা রাহানে। পরে নাটরাজনের বলে স্লিপে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানের
ক্যাচ হাতে জমাতে পারেননি চেতেশ্বর পুজারা।
৩৭ ও ৪৮ রানে জীবন
পাওয়া লাবুশেন ১৯৫ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি। এরপর আর ইনিংস বড়
করতে পারেননি। নিজের পরপর দুই ওভারে ওয়েড ও লাবুশেনকে ফেরান অভিষিক্ত নাটরাজন।
দিনের বাকি সময়টা নিরাপদে পার করে দেন গ্রিন ও পেইন।
ভারত দলে চোট হানা
দিয়েছে এই ম্যাচের মাঝেও। ৭.৫ ওভার বোলিং করে কুঁচকির চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন সাইনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস:
৮৭ ওভারে ২৭৪/৫ (ওয়ার্নার ১, হ্যারিস ৫, লাবুশেন ১০৮, স্মিথ
৩৬, ওয়েড ৪৫, গ্রিন ২৮*, পেইন ৩৮*; সিরাজ ১৯-৮-৫১-১, নাটরাজন
২০-২-৬৩-২, শার্দুল ১৮-৫-৬৭-১, সাইনি
৭.৫-২-২১-০, ওয়াশিংটন ২২-৪-৬৩-১, রোহিত
০.১-০-১-০)।