ক্যাটাগরি

ক্ষমতা ছাড়ার শেষ সময়েও চীনের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা

বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগর এলাকায় অপতৎপরতা এবং হুমকি সৃষ্টির অভিযোগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসন এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে চীনের সরকারি মালিকানাধীন সংস্থাগুলোর নির্বাহী কর্মকর্তারা, ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি ও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা এবং বৃহত্তম তেল কোম্পানি সিএনওওসি।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ তেল কোম্পানি সিএনওওসি’র বিরুদ্ধে দক্ষিণ চীন সাগর এলাকায় চীনের প্রতিবেশীদেরকে ভয়ভীতি দেখানো এবং তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলনের কাজে হুমকি সৃষ্টি ও হয়রানির অভিযোগ করেছে।

উর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, তেল কোম্পানি সিএনওওসি’র ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত জ্বালানি, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং সিএনওওসির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করা প্রতিষ্ঠান, যেগুলো দক্ষিণ চীন সাগরে নিয়োজিত নয়, তাদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত হয়েছে আরও ৯ টি ফার্ম; যেগুলোর সঙ্গে চীনের সামরিক বাহিনীর যোগসূত্র আছে বলে অভিযোগ ট্রাম্প প্রশাসনের।

এ ফার্মগুলোর মধ্যে আছে উড়োজাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কোমাক এবং মুঠোফোন তৈরি প্রতিষ্ঠান শিয়াওমি করপোরেশনও। এই সব প্রতিষ্ঠানই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বিনিয়োগ নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞার কড়া প্রতিক্রিয়ায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান শুক্রবার বলেছেন, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বাণিজ্য নীতির বাইরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এসব পদক্ষেপ নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র অনেক আগে থেকেই দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলের ওপর বেইজিংয়ের একচ্ছত্র দাবির বিরোধিতা করে আসছে। ওই অঞ্চলটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথও।

ওয়াশিংটন বলছে, ওই এলাকার পাল্টা মালিকানা দাবি করা ভিয়েতনাম এবং ফিলিপিন্সকে চীন ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তবে চীনের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।