ক্যাটাগরি

শীতের সন্ধ্যায় বোয়ালমারীতে চলছে পিঠা বেচা-কেনা

প্রতি বছর শীত মৌসুম এলে বোয়ালমারী
পৌর শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে পিঠা তৈরি হয়। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সেখানে বসে পিঠা খেয়ে যান।

সরেজমিনে বোয়ালমারী বাজারের বিভিন্ন রাস্তার পাশে নিম্ন আয়ের
পরিবারের নারী-পুরুষকে পিঠা বানিয়ে বিক্রি করতে
দেখা গেছে।

পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নান্নু কমিশনারের বাড়ির সামনের ফাঁকা জায়গায় বসে চিতই পিঠা বিক্রি
করছিলেন ছোলনা গ্রামের ফরহাদ মোল্যা।

তিনি বিডিনিউজ
টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করে ৫শ টাকার মতো আয় হয়, তা দিয়ে সংসারের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করেন। শীত মৌসুম শেষ হলে ফরহাদ মোল্যা তার পেশায়ও পরিবর্তন আনেন।

বোয়ালমারী পৌর শহরের রেল স্টেশন, চৌরাস্তা, মহিলা কলেজ মোড়, বিলাসী শপিং
মল, তালতলা, ডাকবাংলো মোড়ের ফুটপাতের পিঠার দোকানে সন্ধ্যা নামলেই ভিড় লক্ষ্য করা যায়। 

ধনী, মধ্যবিত্ত, দরিদ্র সব শ্রেণির লোক এসব পিঠার ক্রেতা। পিঠার মধ্যে ভাপা ও চিতই পিঠার কদর বেশি। চিতই পিঠা ৫ টাকা এবং ভাপা পিঠা ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পিঠা বিক্রেতারা জানান, ভাপা পিঠা তৈরির উপকরণ হচ্ছে চালের গুঁড়া, নারকেল, খেজুরের গুড়। গোল আকারে পাতিলে কাপড় পেঁচিয়ে ঢাকনা দিয়ে হাঁড়ির ফুটন্ত পানির ভাপ দিয়ে তৈরি হয় ভাপা পিঠা। অন্যদিকে চালের গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে চুলায়
তাতানো মাটির হাঁড়িতে বানানো হয় চিতই পিঠা। এই পিঠা বিক্রি চলবে পুরো শীত মৌসুম।

বোয়ালমারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরপাড়ার ফুটপাতে বসে পিঠা বিক্রিকারী সুফিয়া বেগম বলেন, শীত মৌসুম এলে সন্ধ্যায় পিঠা বিক্রি করেন। প্রতিদিন প্রায় ২শ টাকার পিঠা বিক্রি হয়।