আর শীতকালে
এই সমস্যা বাড়ে।
নখের চারপাশের
চামড়া যা কিউটিকল হিসেবে পরিচিত। শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়া, বার বার স্যানিটাইজার ও রাসায়নিক
পণ্য ব্যবহার ইত্যাদি নানান কারণে হাত শুষ্ক হওয়া থেকে কিউটিকল’য়ে শুষ্কতাসহ নানান
সমস্যা দেখা দেয়।
রূপচর্চা-বিষয়ক
একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে কিউটিকলের সমস্যা দূর করার উপায় সম্পর্কে
জানানো হল।
নারিকেল বা কাঠবাদাম বা জলপাইয়ের তেল: দেহের আর্দ্রতা
রক্ষা করতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি, এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার উপকারী।
এই তিনটি তেল আর্দ্রতা রক্ষাকারী উপাদান সমৃদ্ধ এবং এগুলো মুখ ও শরীরের তেল হিসেবে
ব্যবহৃত হয়। কয়েক ফোঁটা তেল হাতে নিয়ে কিউটিকেলের ওপরে মালিশ করুন। এটা ত্বকের শুষ্কতা
দূর করবে ও হাত কোমল রাখবে।
কলা ও মধুর মিশ্রণ: একটা কলা চটকে তাতে এক টেবিল-চামচ
মধু যোগ করুন। এই মাস্ক সারা হাতে ব্যবহার করতে পারেন। অথবা কেবল আঙ্গুলে কিউটিকলের
ওপরেও ব্যবহার করা যায়। মধু প্রাকৃতিক আর্দ্রতা রক্ষাকারী উপাদান সমৃদ্ধ এবং কলা ত্বক
সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে।
শিয়া বাটার: শুষ্ক কিউটিকলের সমস্যা থেকে মুক্তি
পেতে শিয়া বাটার ভালো কাজ করে। এই ভেষজ বাটার ত্বককে তাৎক্ষনিকভাবে আর্দ্র করতে ও আর্দ্রতা
বজায় রেখে কোমলভাব রক্ষা করতে সহায়তা করে। ত্বকে শিয়া বাটারের পর ২০ মিনিট অপেক্ষা
করে ধুয়ে ফেলুন। এটা কিউটিকলের সমস্যা দূর করে।
আরও পড়ুন