ক্যাটাগরি

কোভিড-১৯: তৃতীয় সর্বোচ্চ দৈনিক মৃত্যু দেখল যুক্তরাজ্য

কোভিড পরীক্ষায় গত ২৮ দিনের মধ্যে পজিটিভ এসেছিল এমন এক হাজার ২৯৫ জনের শনিবার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৫৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

নতুন বছর শুরু হওয়ার পর শনিবার যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে কম সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এতে দেশজুড়ে দেওয়া লকডাউনের কারণে করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক একটি ধরনের বিস্তারও কমে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এদিন পরীক্ষায় ৪১ হাজার ৩৪৬ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছে। আগেরদিন শুক্রবার শনাক্ত নতুন রোগীর সংখ্যা ৫৫ হাজার ৭৬১ জন ছিল।

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা যুক্তরাজ্যে ঘটেছে; তবে মাথাপিছু মৃত্যুর সংখ্যায় ইতালি ও বেলজিয়াম এগিয়ে আছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ক্রিস উয়িটি শুক্রবার জনগণকে সতর্ক করে বলেছেন, দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা এখনও সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। 

৫ জানুয়ারি থেকে দেশটিজুড়ে লকডাউন চলছে। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রয়োজনীয় নয় এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। যেখানে যেখানে সম্ভব লোকজনকে বাসা থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে দেশটির সরকার সোমবার থেকে যুক্তরাজ্য ভ্রমণে ইচ্ছুক সবাইকে তাদের করোনাভাইরাস নেই এমন সনদ দেখাতে আর দেশটিতে প্রবেশের পর ১০ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে বলে নির্দেশ জারি করেছে।  

যুক্তরাজ্য ৭০ বছরের বেশি বয়সী ও অন্যান্য দুর্বল লোকজনকে টিকার আওতায় আনার ব্যাপক কর্মসূচী শুরু করেছে। সরকারি তথ্যে দেখা গেছে, শনিবার পর্যন্ত দেশটির প্রায় ৩৬ লাখ লোককে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।

মধ্য ফেব্রুয়ারির মধ্যে অতি-ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাটাগরিতে থাকা এক কোটি ৫০ লাখ লোককে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার লক্ষ নিয়েছে দেশটি।