ক্যাটাগরি

কোভিড-১৯: ঘোষণার সেই টাকা চান ১০ হাজার পুলিশ সদস্য

সম্প্রতি জমা পড়া আবেদনগুলোর বিষয়ে মতামত চেয়ে অর্থ বিভাগে
চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ (পুলিশ-২) থেকে
পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, “পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা
সরকারি দায়িত্ব পালনকালে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। সরকার ঘোষিত পরিপত্রে শর্তানুযায়ী
দায়িত্ব পালনকালে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হলে এককালীন ক্ষতিপূরণ প্রদানের সিদ্ধান্ত থাকায়
আক্রান্ত প্রায় ১০ (দশ) হাজার পুলিশ সদস্য কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির লক্ষ্যে পুলিশ
অধিদপ্তরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র দাখিল করেন।”

সরকার ঘোষিত ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রাপ্তির জন্য দাখিলকৃত এসব
আবেদন অর্থ বিভাগে পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়ে মতামত চেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত বছরের প্রথম দিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ
শুরু হওয়ার পর দেশে ফিরতে শুরু করেন প্রবাসীরা। এরমধ্যে ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস
সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর রোগটি নিয়ে ব্যাপক আতঙ্ক দেখা দেয়।


কোভিড-১৯: সরকারি চাকুরেদের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা
 

দেশের বিভিন্ন জায়গায় আসা প্রবাসীদের ১৪ দিনের ‘হোম কোয়ারেন্টিন’
নিশ্চিতে জোর তৎপরতা চালায় পুলিশ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদেশফেরতদের গতিবিধির ওপর নজর রাখেন
তারা।

এর মধ্যে গত বছর ২৩ এপ্রিল সরকারি এক ঘোষণায় করোনাভাইরাস মোকাবেলায়
সম্মুখ সারিতে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই রোগে আক্রান্ত হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া
হবে বলা হয়।  

ঘোষণায় বলা হয়, বেতন স্কেল অনুযায়ী ১৫-২০তম গ্রেডের কেউ আক্রান্ত
হলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাকে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে, আর মারা গেলে দেওয়া হবে ২৫ লাখ টাকা।
১০-১৪তম গ্রেডের কেউ আক্রান্ত হলে দেওয়া হবে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আর মারা গেলে দেওয়া
হবে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া প্রথম-নবম গ্রেডের কেউ আক্রান্ত হলে ১০ লাখ টাকা এবং
মারা গেলে ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হবে।

এরপর এই ১০ মাসে বাংলাদেশে ৫ লাখ ২৮ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে
আক্রান্ত হয়েছেন, আর মারা গেছেন ৭ হাজার ৯২২ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতদের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
পাশাপাশি সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছে।