সোমবার থেকে এ হটলাইন চালু হয়েছে জানিয়ে র্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা
হয়, এ হটলাইনের মাধ্যমে পলাতক
জঙ্গিরা র্যাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করলে তাদের
প্রথমে আত্মসমপর্ণের সুযোগ দেওয়া হবে। তারপর তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর
পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ধরনের ব্যক্তিদের rabintdir@gmail.com
ঠিকানায়
মেইল করে তাদের আগ্রহের কথা জানাতে বলা হয়েছে র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
র্যাবের ‘ডি-র্যাডিকালাইজেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম’ এর অধীনে
জঙ্গিদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর এই প্রক্রিয়া সম্প্রতি শুরু হয়, যার আওতায় সাতজন তরুণ-তরুণী গত ১৪ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ
করেন। র্যাব সদরদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল
তাদের সমাজের মূল ধারায় স্বাগত জানান।
র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার ওই
অনুষ্ঠানে বলেন, একজন জঙ্গি হওয়ার
আগে কোনো একটি সংগঠনের প্রতি সহমর্মিতা দেখায়, পরে সমর্থক হয়ে ওঠে। তারপর যে সক্রিয় হয়ে বিভিন্ন কার্যকলাপে অংশ নেয়, তার ভেতরে উগ্রবাদের ধারণা পোক্ত হতে থাকে। এক পর্যায়ে
পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা অস্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু করে।
জঙ্গিবাদের ভুল বুঝে ফিরে এল তারা
বিপথ থেকে ফেরাদের দূরে ঠেলবেন না: র্যাব প্রধান
জঙ্গিবাদ মুক্তির উপায়: যা ভাবছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
“এ অবস্থায় তাদের মস্তিকে যে
ধারণা বা মতবাদ বসে আছে, সেটা অস্ত্র দিয়ে
নির্মূল করা যায় না। সেখান থেকে তাদের বুঝিয়ে বের করে আনা ছাড়া বিকল্প নেই। আর
সেজন্য র্যাব ডি-র্যাডিকালাইজেশন না এই পুনর্বাসন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।”
যারা আত্মসমর্পণ করেছেন, তাদের পেশার ধরন অনুযায়ী
বিভিন্নভাবে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়।