আবহাওয়া
অধিদপ্তর বলছে, দুই দিনের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা সামান্য
বাড়লেও পরবর্তীতে বাড়বে শীত ও কুয়াশার দাপট।
রোববার
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে তেঁতুলিয়ায়, ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ সময় দেশের
সব বিভাগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে
রয়েছে। ঢাকায়ও
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
জ্যেষ্ঠ
আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, শ্রীমঙ্গল, পাবনা,
দিনাজপুর, পঞ্চগড়, চুয়াডাঙ্গা ও নওগাঁ অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং
তা অব্যাহত থাকতে পারে।
“বুধবার মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গুঁড়ি
গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে
এ ধরনের বৃষ্টি হয়। দিনের
যে কোনো সময়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হবে। এতে মাঘ মাসের শীতের অনিুভূতি বেশি
হবে।”
বৃষ্টির
পর শুক্রবার থেকে ফের আরেক দফা শীতের প্রকোপ বাড়বে বলে জানান এ আবহাওয়াবিদ।
তিনি বলেন, “পরবর্তী সময়ে
রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমবে। এ সময় মধ্যরাত থেকে দুপুর নাগাদ কোনো
কোনো এলাকায় ঘন কুয়াশা বিরাজ করবে। জানুয়ারি মাসটা এভাবে শীতের প্রকোপ
থাকবে। তারপর
আগামী মাসে শীত বিদায় নেবে।”
বড় এলাকাজুড়ে
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে চলে এলে মৃদু; ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি
সেলসিয়াসের মধ্যে হলে মাঝারি এবং ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ
বলে ধরা হয়।
গত ১৮-২৩
ডিসেম্বর এবং ২৬-৩১ ডিসেম্বর রংপুর, রাজশাহী, কুষ্টিয়া
ও যশোর অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। এ সময় ১৯ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামের
রাজারহাটে ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।
মধ্য জানুয়ারিতে
ফের শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। ১৫ জানুয়ারি বদলগাছিতে থার্মোমিটারের পারদ নেমে যায় ৬ দশমিক
৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে,
যা চলমি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।