ক্যাটাগরি

‘আমার মতো সমালোচনা বাংলাদেশের খুব কম ক্রিকেটারই শুনেছে’

সমালোচনার প্রসঙ্গটি এসেছে তার স্ট্রাইক রেটের সূত্র ধরে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামিমের স্ট্রাইক রেট নিয়ে চর্চা অনেক দিন থেকেই হয়ে আসছে। সেই প্রসঙ্গ এখন নিয়মিত হয়ে উঠেছে সংবাদ সম্মেলনেও। তামিম মানেই যেন স্ট্রাইক রেটের প্রশ্ন অবধারিত। বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের নিয়মিত অধিনায়ক হিসেবে যাত্রা শুরুর আগের দিনও তাকে জবাব দিতে হলো এই প্রশ্নের।

“স্ট্রাইক রেট ইস্যুতে আমি প্রচুর কথা বলেছি। প্রতিটি সংবাদ সম্মেলনে আমাকে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। অনেকবারই এর উত্তর দিয়েছি, বলেছি আমি কী মনে করি। সবচেয়ে ভালো হচ্ছে, আপনি পরিসংখ্যান দেখুন। বারবার এই প্রশ্নের একই উত্তর দিতে আর উপভোগ করছি না। আপনি যদি পরিসংখ্যান পরীক্ষা করেন বা গত ৫-৬ বছরে আমি কী করেছি তা দেখেন, তাহলেই উত্তর পেয়ে যাবেন।”

তামিমের কথায় বিরক্তির সুর ফুটে উঠল স্পষ্ট। প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন উঠতেও তাই সময় লাগল না। অধিনায়ক হিসেবে তো সমালোচনার তির সামলাতে প্রস্তুত থাকতে হবে সবসময়ই। কিন্তু অতীতে অনেকবারই দেখা গেছে, মাঠের বাইরের আলোচনা তার মাঠের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে যথেষ্ট। অধিনায়ক হিসেবে যখন সমালোচনার স্রোত ধেয়ে আসবে, সামলাতে পারবেন তো?

তামিম বললেন, নিজেকে তিনি প্রস্তুত করছেন সেভাবেই। অধিনায়ক হিসেবে যদিও খুব বেশি সামনে তাকাচ্ছেন না। তবে আপাতত প্রস্তুত তিনি সবকিছুর জন্যই।

“যত সমালোচনা আমি শুনেছি, বাংলাদেশের খুব কম ক্রিকেটারই তত কথা শুনেছে। সেদিক থেকে আমি যথেষ্ট প্রস্তুত। প্রতি মুহূর্তেই নতুন কিছু হয়, আমার সঙ্গে সব সময়ই এটা হয়। কারণে কিছু হয়, কিছু অকারণেও। নেতৃত্ব যখন নিয়েছি, এর সঙ্গে অনেক কিছু আসবে। এটা নিয়ে সচেতন আছি। সমালোচনা আসবে, প্রশংসা আসবে। সবই এর অংশ। আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপভোগ করছি কি না।”

“এখন আমি মানসিকভাবে খুব ভালো অবস্থায় আছি, কালকে মাঠে নামতে মুখিয়ে আছি, রোমাঞ্চিত আছি। আজ থেকে ৩-৪ মাস বা ১ বছর পর আমি কীভাবে সাড়া দেই, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। সবসময়ই একটা কথা বলি, এমন নয় যে খারাপ হলেই আমি উপভোগ করব না। অনেক সময় এরকম হতে পারে, দল ভালো করছে কিন্তু আমি উপভোগ করছি না। তখন অন্য ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারি। এখন আমি প্রশংসা-সমালোচনা, সবকিছুর জন্য প্রস্তুত।”