বুধবার বেলা ১২টার দিকে হাইওয়ের বগাইল টোলপ্লাজা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলার পেয়ারাতলা এলাকার মো. আলমাসের ছেলে আ.রশীদ (৫৫)।
নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী বলে জানালেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মাহাতাব উদ্দিন বলেন, বেলা ১২টার দিকে ভাঙ্গা-মাওয়া এক্সপ্রেস হাইওয়েতে দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালায়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, “কাঠালবাড়ী ঘাট থেকে ছেড়ে আসা ভাঙ্গাগামী দুরন্ত পরিবহন নামের একটি লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক্সপ্রেস হাইওয়ের বগাইল টোলপ্লাজা এলাকায় সড়ক বিভাজনের উপর যায়। এ সময় বাসটি উল্টে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়।”
পরে বাসের নিচ থেকে দুইজনের ও ভেতর থেকেবকেজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয় বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বাসের অন্তত ৩০ যাত্রী। তাদের মধ্যে পাঁচজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মহসিন ফকির জানান, গুরুতর আহত ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অনেকের হাত, পা, মাথা থেতলে গেছে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মেজবাউল খান ফরহাদ বলেন, “সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত ১০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।”