বুধবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড
এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, বিভিন্ন ব্যক্তি মিলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং
কোম্পানি, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড, ফাইন ফুডস এবং স্টাইলক্রাফট
লিমিটেডের শেয়ার নিয়ে কারসাজি করেছে। এই কারণে তাদেরকে বিভিন্ন পরিমাণে আর্থিক
জরিমানা করা হয়েছে।
এতে আরো জানানো হয়, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেডের
শেয়ার নিয়ে কারসাজি করেছে জেমস মার্টিন দাস, ডিজে, এম মুর্শিদ মো. নুরুল ইসলাম
কামরান এবং সহযোগী মনজিরা নাসরিন ইসলাম।
আর নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির শেয়ার নিয়ে
কারসাজির সাথে জড়িত ছিলেন পরিমল চন্দ্র পাল এবং তার সহযোগী ছিলেন রিপন শেখ, মল্লিক
আবু বক্কর, মো. তোফাজ্জল হোসেন, বিধান মিস্ত্রী ও অমল কৃষ্ণ দাস।
নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির শেয়ার নিয়ে আরো কারসাজি
করেছেন সালেক আহমেদ সিদ্দিকি, তার সহযোগী ছিলেন মনির হোসেন। একই শেয়ার নিয়ে
কারসাজি করেছেন সমির রঞ্জন এবং তার সহযোগী ছিলেন শিউলি পাল এবং চিত্ত হারান দত্ত।
নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির শেয়ার নিয়ে আরো
কারসাজিতে আরো জড়িত ছিলেন মো. আমানত উল্লাহ, তার সহযোগী ছিলেন সেতারা বেগম, সন্দীপ
কর্পোরেশন, হাল ইন্ডাসট্রিজ এবং প্রশান্ত কুমার হালদার।
এদের মধ্যে জেমস মার্টিন দাসকে ২ লাখ টাকা, পরিমল চন্দ্র
পালকে ২০ লাখ টাকা, রিপন শেখকে ২০ লাখ টাকা, মল্লিক আবু বক্করকে ১০ লাখ টাকা, তোফাজ্জল
হোসেনকে ৪০ লাখ টাকা, বিধান মিস্ত্রীকে ৫ লাখ টাকা, অমল কৃষ্ণ দাসকে ৭ লাখ টাকা এবং
সালেক আহমেদ সিদ্দিকিকে ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সমির রঞ্জন পালকে ২০ লাখ টাকা, শিউলি পালকে ৫০ লাখ টাকা, চিত্ত
হারান দত্তকে ১২ লাখ এবং আমানত উল্লাহকে ১ কোটি টাকা এবং সেতারা বেগমকে ৫ লাখ টাকা
দিতে হবে।
সন্দীপ কর্পোরেশনকে ৬০ লাখ টাকা, হাল ইন্ডাস্ট্রিজকে ৮৫ লাখ
টাকা এবং প্রশান্ত কুমার হালদারকে ২৫ লাখ টাকা দিতে হবে।
এর বাইরে ব্রোকারেজ হাউজ বালি সিকিউরিটিজকে আইনভঙ্গের কারণে
২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।