কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে সীতাপাহাড়
নামক এলাকা থেকে বুধবার সকাল ১১ টার দিকে এসব জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে টেকনাফের
সাবরাং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ নুরুল আমিন জানান।
তবে এ বিষয়ে কোস্টগার্ড ও বিজিবি কোনো তথ্য দিতে
পারেনি।
ওই ২০ জেলে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের
শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা বলে ইউপি সদস্য নুরুল আমিন জানান।
তবে তাদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
নুরুল আমিন বলেন, “টেকনাফ উপজেলা সাবরাং ইউনিয়নের
শাহপরীর দ্বীপ মাঝেরপাড়া গ্রামের কবির মাঝির ছেলে আমির হোসেন, মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে আবুল বশর ওরফে বাইল্যা, ডাঙ্গারপাড়ার মকবুল আহমেদের ছেলে অলি আহমদ ও আমির হোসেনের ছেলে আমিরুল
ইসলামের মালিকানাধীন চারটি নৌকায় করে (প্রতিটিতে ৫ জন ছিল) ২০ জেলে বঙ্গোপসাগরের
সীতাপাহাড় এলাকায় মাছ ধরতে যায়।
“এ সময় মিয়ানমারের নৌবাহিনীর সদস্যরা
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নৌকাসহ
জেলেদের ধরে নিয়ে যান। পরে জেলেদের ধরে
নেওয়ার বিষয়টি নৌকার মালিকদের মোবাইলে ফোন করে জানানো
হয়।”
তিনি বলেন, “অপহৃত জেলেদের নৌকার মালিকরা
ঘটনাটি বুধবার দুপুরের দিকে আমাকে মৌখিকভাবে জানান।
আমি এ বিষয়টি বিজিবিকে লিখিতভাবে জানানোর
জন্য তাদের পরামর্শ দিয়েছি।”
এ প্রসঙ্গে বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট
কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, সেন্টমার্টিনের ওই
অংশটি কোস্টগার্ড সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় বুধবার
মধ্যরাত পর্যন্ত কেউ কোনো ধরনের অভিযোগ করেনি বলে জানান
তিনি।
কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের লেফটেন্যান্ট
কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ঘটনাস্থল সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের আওতাধীন। এ ব্যাপারে তিনি অবহিত
নন।
এ ব্যাপারে জানতে সেন্টমার্টিন
কোস্টগার্ড স্টেশনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা
করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর নাফনদী মোহনা ও
বঙ্গোপসাগর থেকে ৯ জন বাংলাদেশি জেলেসহ একটি মাছ ধরার
নৌকা ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরবর্তীর ঘটনার ২৩ দিনের মধ্যে বর্ডার
গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপি সঙ্গে পতাকা বৈঠকের
মাধ্যমে ফেরত আনা হয়েছিল।