ক্যাটাগরি

‘ভারতীয় তরুণদের তুলনায় এখনও প্রাইমারি স্কুলে অস্ট্রেলিয়ানরা’

অস্ট্রেলিয়ায় এবার তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ভারতের নবীন ক্রিকেটাররা। চোট ও ছুটি
মিলিয়ে একগাদা শীর্ষ ক্রিকেটারকে ছাড়াই অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারিয়ে এসেছে ভারত।

এই জয়ের পর ভারতের ক্রিকেট কাঠামো ও সিস্টেমের স্তুতি চলছে ক্রিকেট বিশ্বজুড়ে।
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে চলছে হাহুতাশ ও পিছিয়ে পড়ার কারণ অনুসন্ধান। তাদের ইতিহাসের
সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন গ্রেগ চ্যাপেল সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে তুলে ধরলেন দুই দেশের
ক্রিকেটের পার্থক্য।

“ ভারতীয়রা অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায় থেকেই সব ধাপে চ্যালেঞ্জিং ক্রিকেট খেলে
বেড়ে ওঠে, তাদের তুলনায় আমাদের তরুণ ক্রিকেটাররা দুর্বল যোদ্ধা। একজন ভারতীয় ক্রিকেটার
যখন জাতীয় দলে পা রাখে, ততদিনে সে যাবতীয় শিক্ষানবিশ সময় কাটিয়ে আসে, প্রস্তুত হয়ে
আসে বলে জাতীয় দলে তার সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেই তুলনার অভিজ্ঞতার দিক থেকে
আমাদের উইল পুকোভস্কি, ক্যামেরন গ্রিনরা এখনও প্রাইমারি স্কুলেই পড়ে আছে।”

চ্যাপেলের মতে, ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের গঠন ও তাদের ক্রিকেট পদ্ধতিই তরুণদের
দারুণ লড়াকু হিসেবে গড়ে তোলে।

“ ভারতের যুব দলগুলি আমাদের কয়েকটি প্রথম শ্রেণির দলকেও বিব্রত করতে পারে।
বিভিন্ন পর্যায়ে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলে তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের
চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখে যায়। নেটে অনুশীলনে বা কম শক্তির দলের সঙ্গে খেলে ওই
পর্যায়ের ক্রিকেট প্রগাড়তা পাওয়া সম্ভব নয়। ভারতে ৩৮টি প্রথম শ্রেণির দল আছে, এটিই
বলে দেয় তাদের প্রতিভার পরিধি।”

“ ভারতের যুব দল, ‘এ’ দলগুলির পারফরম্যান্সে ফুটে ওঠে বিস্ময়কর রকমের পরিণত
ক্রিকেট ও খেলাটির সবদিক নিয়ে সম্যক ধারণা। এই সিরিজে এত প্রতিবন্ধকতার পরও ভারতকে
এভাবে নিজেদের সামলাতে দেখে ও সাহসী ক্রিকেট খেলে জিততে দেখে যারা অবাক হয়েছেন, তাদেরকে
বলছি, এটায় অভ্যস্ত হয়ে উঠুন। ভারত বিশ্বের সেরা দল হয়ে উঠছে কিনা, সেই ভাবনায় গিয়ে
লাভ নেই। তাদের যে গভীরতা, বিশ্বের সেরা ৫টি দল গড়ার সামর্থ্য তাদের আছে।”