ক্যাটাগরি

বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ

ছক্কার পর আউট
মুশফিক

আগের বলে ছক্কা
হাঁকালেন রেমন
রিফারকে।
পরের বলে
খেলতে চাইলেন
ইনসাইড আউট। কিন্তু পার করতে পারলেন
না কাভার। আলজারি জোসেফের হাতে ধরা
পড়ে থামলেন
মুশফিকুর রহিম।

ভাঙল ৬১ বলে
৭২ রানের
জুটি।
পরের দুই
বলে বাউন্ডারি
হাঁকান মাহমুদউল্লাহ।

৪৭ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ২৬২/৭।
৩৩ বলে
৪৪ রানে
ব্যাট করছেন
মাহমুদউল্লাহ। সিরিজে
প্রথমবারে ব্যাটিংয়ে নামলেন সৌম্য সরকার।

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর জুটিতে
ফিফটি

দ্রুত রান তোলার
চেষ্টায় থাকা
মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিমের জুটি
স্পর্শ করেছে
পঞ্চাশ।
কিওন হার্ডিংয়ে
ছক্কায় ওড়িয়ে
নিজের প্রথম
বাউন্ডারি পান। সঙ্গে ৪৬
বলে পঞ্চাশ
স্পর্শ করে
জুটির রান। পরের বলে মারেন চার।

৪৫ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ২৪০/৪।
৪৯ বলে
৫৪ রানে
খেলছেন মুশফিক। ২৭ বলে মাহমুদউল্লাহর রান
৩২।

মুশফিকের ফিফটি

অন্যদের যেখানে রানের
জন্য সংগ্রাম
করতে হচ্ছে
সেখানে মুশফিকুর
রহিমের ব্যাটে
রান আসছে
অনায়াসে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি
ওয়ানডে খেলার
রেকর্ড গড়ার
দিনে ৪৭
বলে ফিফটি
স্পর্শ করেছেন
তিনি।

ষষ্ঠবারের মতো একই
ম্যাচে ফিফটি
পেলেন সাকিব,
তামিম ও
মুশফিক।

আগের ওভারে রেমন
রিফারের বলে
মুশফিকের ছক্কায়
৪৫ বল
পর বাউন্ডারি
পায় বাংলাদেশ।

৪৪ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ২২৬/৪।

বাংলাদেশের দুইশ

ধীরে ধীরে রানের
গতি বাড়াতে
শুরু করেছে
বাংলাদেশ।
২৩তম ওভারে
একশ রান
স্পর্শ করা
স্বাগতিকরা দুইশ রানে গেছে ৪১.৩ ওভারে।

শুরু থেকেই রানের
গতি বাড়ানোর
দিকে মনোযোগী
মুশফিকুর রহিম। মাহমুদউল্লাহও রান করছেন বলে-বলে।

৪১ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ২০৪/৪।
৩৮ বলে
৩৯ রান
নিয়ে খেলছেন
মুশফিক।
১৪ বলে
১৪ মাহমুদউল্লাহ।

ফিফটির পর সাকিবের
বিদায়

পঞ্চাশ ছোঁয়ার পরপরই
ফিরে গেলেন
সাকিব আল
হাসান।
রেমন রিফারের
স্লোয়ার বলে
থামলেন বোল্ড
হয়ে।

আগে থেকেই যেন
ঠিক করে
রেখেছিলেন কি শট খেলবেন।
মিডিয়াম পেসারের
বল লেগে
ঘুরিয়ে নিতে
চেয়েছিলেন সিঙ্গেল।
কিন্তু অফ
স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢোকা
বল ব্যাটেই
খেলতে পারেননি। আঘাত হানে মিডল স্টাম্পে। ভাঙে ৫৬ বল স্থায়ী
৪৮ রানের
জুটি।

৮১ বলে খেলা
সাকিবের ৫১
রানের ইনিংসে
চার তিনটি।

৩৭ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ১৮১/৪।
ক্রিজে মুশফিকের
সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ।

সাকিবের ফিফটি

সাবধানী ব্যাটিংয়ে দলকে
এগিয়ে নেওয়া
সাকিব আল
হাসান পেলেন
ফিফটি।
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর প্রথম,
ওয়ানডেতে ৪৮তম।

প্রথম বলেই ফিরতে
পারতেন সাকিব। জীবন পাওয়ার পর থেকে
খেলছেন আস্থার
সঙ্গে।
৭৮ বলে
ছুঁয়েছেন পঞ্চাশ।

৩৬ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ১৭৭/৩।
সাকিব ৫০
ও মুশফিকুর
রহিম ২৭
রানে ব্যাট
করছেন।

তামিমের বিদায়ে ভাঙল
জুটি

আলজারি জোসেফের ওভারের
শুরুতে একটা
সুযোগ দিয়েছিলেন
তামিম ইকবাল। সেটা কাজে লাগাতে পারেননি
আকিল হোসেইন। পরের সুযোগ ছিল আরও
সহজ, সেটা
কাজে লাগাতে
কোনো ভুল
করেন তিনি।

জোসেফের শর্ট বল
লেগে ঘুরিয়েছিলেন
তামিম।
ঠিক মতো
খেলতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। ধরা পড়েন মিডউইকেটে।
ভাঙে ১২১
বল স্থায়ী
৯৩ রানের
জুটি।

৮০ বলে তিন
চার ও
এক ছক্কায়
তামিম করেন
৬৪।
২৮ ওভারে
বাংলাদেশের স্কোর ১৩১/৩।
ক্রিজে সাকিব
আল হাসানের
সঙ্গী মুশফিকুর
রহিম।

তামিমের ফিফটি

জেসন মোহাম্মেদের বলে
সিঙ্গেল নিয়ে
পঞ্চাশ স্পর্শ
করলেন তামিম
ইকবাল।
ওয়ানডেতে বাঁহাতি
এই ওপেনারের
৪৯তম ফিফটি।

প্রথম ২৯ বলে
২৮ রান
করা তামিম
কিছুটা গুটিয়ে
নেন নিজেকে। পরের ২২ রান আসে
৪১ বলে। ৭০ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ
করার পর
মোহাম্মেদকে ছক্কায় ওড়ান বাংলাদেশ অধিনায়ক। ইনিংসে স্বাগতিকদের প্রথম ছক্কা।

এর আগের ওভারের
শেষ বলে
সাকিবের ব্যাট
থেকে আসে
বাউন্ডারি।
১৫ ওভারের
মধ্যে যা
বাংলাদেশের প্রথম।

২৬ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ১২০/২।
তামিম ৭৩
বলে ৫৭
ও সাকিব
৫০ বলে
৩৩ রানে
ব্যাট করছেন।

বাংলাদেশের একশ

দশম ওভারে পঞ্চাশ
ছোঁয়া বাংলাদেশের
রান তিন
অঙ্কে গেছে
২২.২
ওভারে।
প্রথম পঞ্চাশে
দুটি উইকেট
হারানো স্বাগতিকরা
পরের পঞ্চাশে
হারায়নি কোনো
উইকেট।

আপাতত একটু সাবধানী
তামিম ইকবাল
ও সাকিব
আল হাসান। এক-দুই নিয়ে সচল
রেখেছেন রানের
চাকা।
২৩ ওভারে
বাংলাদেশের স্কোর ১০২/২।
তামিম ৪৭
ও সাকিব
২৫ রানে
ব্যাট করছেন।

তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের জুটি গড়েন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। ছবি: সুমন বাবু

তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের জুটি গড়েন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। ছবি: সুমন বাবু

তামিম-সাকিব জুটিতে পঞ্চাশ

বাংলাদেশের সফলতম জুটির
একটির স্রষ্টা
তামিম ইকবাল
ও সাকিব
আল হাসান। তৃতীয় উইকেটে ৬৪ বলে
গড়েছেন ৫০
রানের জুটি। ওয়ানডেতে এটি তাদের পঞ্চদশ
ফিফটি জুটি।

বাংলাদেশের তৃতীয় জুটি
হিসেবে ওয়ানডেতে
দুই হাজার
রানের মাইলফক
স্পর্শ করেছেন
তামিম ও
সাকিব।
এর আগে
এই কীর্তি
আছে কেবল
মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিম (২১৪৪)
এবং মুশফিক
ও সাকিব
(৩১৫৬) জুটির। 

২০ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ৯১/২।
তামিম ৫৩
বলে ৪৩
ও সাকিব
৩৪ বলে
২০ রানে
খেলছেন।

রানের জন্য তামিম-সাকিবের সংগ্রাম

জুটির শুরুতে দ্রুত
রান তুলছিলেন
তামিম ইকবাল
ও সাকিব
আল হাসান। হঠাৎ করেই যেন
ভাটা পড়েছে
রানের গতিতে।

১২ ওভার শেষে
স্কোর ছিল
৬৫/২। পরের ৭ ওভারে এসেছে
কেবল ২১
রান।
১৯ ওভার
শেষে বাংলাদেশের
স্কোর ৮৬/২।
নিজেদের একদম
গুটিয়ে নিয়েছেন
দুই বাঁহাতি
ব্যাটসম্যান।

পাওয়ার প্লেতে ২
উইকেট

আস্থার সঙ্গে খেলছেন
তামিম ইকবাল। কিন্তু অন্য প্রান্তে ভুগছে
বাংলাদেশ।
লিটন দাসের
পর ফিরে
গেছেন নাজমুল
হোসেন শান্ত। ফিরে যেতে পারতেন সাকিব
আল হাসানও।

পাওয়ার প্লেতে অর্থাৎ প্রথম ১০ ওভারে ২
উইকেট হারিয়ে
৫৩ রান
তুলেছে বাংলাদেশ। তামিম ২৩ বলে ২২
ও সাকিব
৪ বলে

রান নিয়ে খেলছেন।

কোনো ঝুঁকি নিচ্ছেন
না তামিম। খেলছেন এক-দুই নিয়ে, বল অনুযায়ী।
থিতু হয়েও
ইনিংস বড়
করার সুযোগ
হাতছাড়া করেছেন
শান্ত।

শূন্যতে বাঁচলেন সাকিব

নাজমুল হোসেন শান্তর
বিদায়ের পরপরই
সাকিব আল
হাসানকে হারাতে
বসেছিল বাংলাদেশ। গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ
পেতে পেতে
কাইল মেয়ার্সের
ব্যর্থতায় বেঁচে গেলেন বাঁহাতি এই
ব্যাটসম্যান।

অফ স্টাম্পের বাইরের
লেংথ বল
লেগে ঘুরাতে
চেয়েছিলেন সাকিব।
ব্যাটের কানায়
লেগে ক্যাচ
যায় মেয়ার্সের
কাছে।
মাথার উপর
দিয়ে যাওয়া
বল লাফিয়ে
হাত ছোঁয়ালেও
মুঠোয় জমাতে
পারেননি এই
অলরাউন্ডার।

পরের বলে ব্যাটের
কানায় লেগে
পাওয়া চারে
রানের খাতা
খোলেন সাকিব।

৯ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ৪২/২।

তিনে আবারও ব্যর্থ
শান্ত

দারুণ সফল সাকিব
আল হাসানকে
সরিয়ে তিনে
নাজমুল হোসেন
শান্তকে সুযোগ
দিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম সিরিজে সম্পূর্ণ ব্যর্থ
এই তরুণ।

কাইল মেয়ার্সের ভেতরে
ঢোকা বল
ব্যাটে খেলতে
পারেননি শান্ত। আম্পায়ার এলবিডিব্লউর আবেদনে সাড়া
দিলে রিভিউ
নেন বাঁহাতি
এই ব্যাটসম্যান। পাল্টায়নি সিদ্ধান্ত।

তিন চারে ৩০
বলে শান্ত
করেন ২০। আগের দুই ম্যাচে করেছিলেন
১ ও
১৭।

বাংলাদেশ ৮.৪ ওভারে ৩৮/২।

অল্পের জন্য শান্তর
রক্ষা

অভিষেকে নিজের তৃতীয়
ওভারে উইকেট
পেয়ে যাচ্ছিলেন
কিওন হার্ডিং। হলো না একটুর জন্য,
নাজমুল হোসেন
শান্তর দেওয়া
দুরূহ সুযোগ
কাজে লাগাতে
পারেননি জেসন
মোহাম্মেদ।

কাভারের উপর দিয়ে
উঠিয়ে মারতে
চেয়েছিলেন শান্ত।
ঠিক মতো
পারেননি বাঁহাতি
এই ব্যাটসম্যান। মিড অফে দারুণ চেষ্টায়
আঙুল ছোঁয়ালেও
ক্যাচ মুঠোয়
নিতে পারেননি
ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক।
সে সময়
১২ রানে
ছিলেন শান্ত।

৬ ওভারে
বাংলাদেশের স্কোর ২৬/১।
শান্ত ১৫
ও তামিম
ইকবাল ৯
রানে ব্যাট
করছেন।

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে মুশফিক

প্রথম ম্যাচ খেলে
একটি রেকর্ডে
মাশরাফি বিন
মুর্তজাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। তৃতীয় ম্যাচে অভিজ্ঞ পেসারের
আরেকটি রেকর্ড
নিজের করে
নিলেন এই
কিপার-ব্যাটসম্যান।

বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে
সবচেয়ে বেশি
ওয়ানডে খেলার
কীর্তি এখন
মুশফিকের।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের
বিপক্ষে তৃতীয়
ওয়ানডে তার
ক্যারিয়ারের ২২১তম।
বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ম্যাচ খেলা
মাশরাফি ২০০৭
সালে আফ্রো-এশিয়া কাপে
খেলেন দুটি
ওয়ানডে।

প্রথম ওয়ানডেতে দেশের
হয়ে মাশরাফির
২১৮ ম্যাচের
রেকর্ড ছাড়িয়ে
যান মুশফিক। এবার ওয়ানডেতে তার ২২০
ম্যাচের রেকর্ডও
নিজের করে
নিলেন তিনি।

শূন্যতেই শেষ লিটন

প্রথম ওভারেই ভাঙল
বাংলাদেশের শুরুর জুটি। শূন্য রানে ফিরে গেলেন
লিটন দাস।

আলজারি জোসেফেকে লেগে
খেলতে চেয়েছিলেন
লিটন।
কিন্তু লেগ
স্টাম্পে থাকা
বলে ব্যাট
ছোঁয়াতে পারেননি
ডানহাতি এই
ব্যাটসম্যান। একটু
সময় নিয়ে
এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। অন্য প্রান্তে তামিম ইকবালের
সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন
লিটন, ততক্ষণে রিভিউ নেওয়ার সময় শেষ হয়ে যায়।

১ ওভারে বাংলাদেশের
স্কোর ১/১।
ক্রিজে তামিমের
সঙ্গী নাজমুল
হোসেন শান্ত।

চট্টগ্রামেও ‘ব্ল্যাক লাইভস
ম্যাটার’

ঢাকার দুই ম্যাচের
মতো মতো
চট্টগ্রামে এই ম্যাচের আগেও মাঠে
হাঁটু গেড়ে
বসে ও
হাত উঁচিয়ে
‘ব্ল্যাক লাইভস
ম্যাটার’ আন্দোলনে
সমর্থন জানায়
দুই দল।

ক্যারিবিয়ানদের আরও দুই
অভিষেক

নতুন কাউকে খেলানোর
ধারাবাহিকতা তৃতীয় ম্যাচেও ধরে রাখল
ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চট্টগ্রামে অভিষেক হচ্ছে কিপার-ব্যাটসম্যান জামার
হ্যামিল্টন ও পেসার কিওন হার্ডিংয়ের।

প্রথম ম্যাচে অভিষেক
হয়েছিল ৬
ক্রিকেটারের। পরেরটিতে
এক জন। দ্বিতীয় ওয়ানডের দল থেকে
বাদ পড়েছেন
জশুয়া দা
সিলভা ও
আন্দ্রে ম্যাককার্থি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: জেসন
মোহাম্মেদ, সুনিল আমব্রিস, এনক্রুমা বনার,
জামার হ্যামিল্টন,
রভম্যান পাওয়েল,
কাইল মেয়ার্স,
কেয়র্ন ওটলি,
আলজারি জোসেফ,
রেমন রিফার,
কিওন হার্ডিং,
আকিল হোসেইন।

ফিরলেন তাসকিন-সাইফ

অল্প কিছু পরিবর্তনের
আভাস দেওয়া
বাংলাদেশ এনেছে
দুটি পরিবর্তন। দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ
সাইফ উদ্দিন
ও পেসার
তাসকিন আহমেদ।

এই সিরিজেই অভিষিক্ত
হাসান মাহমুদ
নেই দলে। তার সঙ্গী হয়েছেন দুই
ম্যাচে উইকেট
না পাওয়া
আরেক পেসার
রুবেল হোসেন।

বাংলাদেশ: তামিম ইকবাল,
লিটন দাস,
নাজমুল হোসেন
শান্ত, সাকিব
আল হাসান,
মুশফিকুর রহিম,
মাহমুদউল্লাহ, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ সাইফ
উদ্দিন, মেহেদী
হাসান মিরাজ,
মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টানা দুই ম্যাচে টস জিতলেন জেসন মোহাম্মেদ। আগের ম্যাচে ব্যাটিং নেওয়া
ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক এবার
পাল্টালেন সিদ্ধান্ত। নিলেন বোলিং। সিরিজে প্রথমবার আগে ব্যাটিং করবে বাংলাদেশ।

পরিপূর্ণ ম্যাচ খেলায়
নজর বাংলাদেশের

প্রথম দুই
ম্যাচে সহজেই
জিতে সিরিজ
নিশ্চিত করলেও
পুরোপুরি খুশি
নয় বাংলাদেশ। বোলাররা
ভালো করেছেন
দুই ম্যাচেই,
কিন্তু ব্যাটিং
হয়নি মনমতো। শেষ
ম্যাচে সতীর্থদের
পরিপূর্ণ এক
ম্যাচ খেলার
তাগিদ দিলেন
অধিনায়ক তামিম
ইকবাল।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ
চৌধুরি স্টেডিয়ামে
সোমবার তৃতীয়
ওয়ানডেতে ওয়েস্ট
ইন্ডিজের মুখোমুখি
হবে বাংলাদেশ। এই
ম্যাচ জিতে
ওয়ানডেতে ক্যারিবিয়ানদের দ্বিতীয়বারের
মতো হোয়াইটওয়াশ
করার সুযোগ
সাকিব আল
হাসান-মুশফিকুর
রহিমদের সামনে।

শেষ ম্যাচের
আগে তামিম
জানিয়েছেন তার
চাওয়া। তার
মতে, বোলিং,
ফিল্ডিংয়ে আরেকটু
ভালো করা
সম্ভব। ব্যাটিংয়ে
কেউ থিতু
হলে তার
কাছ থেকে
অধিনায়ক চান
বড় ইনিংস।

নতুন ভেন্যুতে
নতুন শুরুর
আশায় উইন্ডিজ

ঢাকায় খুব
একটা লড়াই
করতে না
পারা ওয়েস্ট
ইন্ডিজ তাকিয়ে
আছে চট্টগ্রামের
ম্যাচের দিকে। প্রথম
দেখায় এই
ভেন্যুর উইকেট
আশা দেখাচ্ছে
তাদের। ঢাকার
চেয়ে ব্যাটিংয়ে
জন্য ভালো
পিচ ও
কন্ডিশন দেখছে
সফরকারীরা।

প্রথম ওয়ানডেতে
১২২ ও
পরেরটিতে ১৪৮
রানে গুটিয়ে
যাওয়ায় ব্যাটিং
নিয়েই দুর্ভাবনা
বেশি ওয়েস্ট
ইন্ডিজের। হোয়াইটওয়াশ
এড়াতে কোচ
ফিল সিমন্স
ব্যাটসম্যানদের কাছ
থেকে চেয়েছেন
লড়াইয়ের রান।

তারা রান
পেলে বোলারদের
মাঝে বাংলাদেশকে
চ্যালেঞ্জের সামর্থ্য
দেখছেন সহকারি
কোচ রডি
ইস্টউইক। আইসিসি
ওয়ানডে সুপার
লিগে পয়েন্টের
খাতা খুলতে
তার বাজি
আকিল হোসেইন,
আলজারি জোসেফরা।